Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Supreme Court

দোকান মালিকদের নামোল্লেখ ‘নীতিবিরুদ্ধ’, কানোয়ার যাত্রা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মহুয়া

যোগীরাজ্য়ের এধরনের নির্দেশিকা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে, আইনশৃঙ্খলার অবনতিও হতে পারে, দাবি তৃণমূল সাংসদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৪, ২১:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৪, ২১:০১

options
link
দোকান মালিকদের নামোল্লেখ ‘নীতিবিরুদ্ধ’, কানোয়ার যাত্রা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মহুয়া zoom
Advertisement

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: কানোয়ার যাত্রাপথে দোকান মালিকদের নাম-ঠিকানা উল্লেখ সংক্রান্ত যোগীরাজ্যের ‘নিদান’ নিয়ে ইতিমধ্যে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। শুরু হয়েছে বিতর্ক, সমালোচনা। এবার তা পৌঁছল শীর্ষ আদালতের দোরগোড়ায়। নামোল্লেখের বিরোধিতায় এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মামলা দায়ের করেছে আগেই। এবার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। আবেদনে বলা হয়েছে, এধরনের নির্দেশে বেশ কিছু সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কাও থাকছে।

চলতি মাসে শুরু হতে চলেছে কানোয়ার যাত্রা (Kanwar Yatra)। আর তার আগে উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার নির্দেশ দিয়েছে, কানোয়ার যাত্রার প্রতিটি রুটে যত খাবারের দোকান রয়েছে, তার সবকটিতেই বড় বড় ব্যানার দিয়ে লিখতে হবে দোকান মালিকের নাম। যার মূল উদ্দেশ্য, পুণ্যার্থীরা যাতে আলাদাভাবে চিনতে পারেন হিন্দু ও মুসলিম দোকানগুলিকে। এই নির্দেশের মূল উদ্দেশ্য ধর্মীয় বিভাজন আরও স্পষ্ট করে তোলা, তেমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। এনিয়ে ইতিমধ্যে সমালোচিত যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) সরকার। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জনস্বার্থ মামলাও দায়ের করেছে। সোমবার সেই মামলার শুনানি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অলিম্পিকে ভারতীয় খেলোয়াড়দের বিশেষ সম্মান, বিরাট আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা জয় শাহর]

এবার কানোয়ার যাত্রা নিয়ে সরব হল তৃণমূলও (TMC)। যোগীরাজ্যের এই নির্দেশের তীব্র নিন্দার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র(Mahua Moitra)। তিনি আবেদনে জানিয়েছেন, দোকান মালিকের ধর্মীয় পরিচয় তীর্থযাত্রীদের কাছে স্পষ্ট করার উদ্দেশে যে নির্দেশিকা জারি হয়েছে, তা নীতিবিরুদ্ধ। এধরনের বিষয় একাধিক মৌলিক অধিকার খর্ব করে। সমাজের সবচেয়ে স্পর্শকাতর সম্প্রদায়ের উপর অবিচার। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে মহুয়ার আবেদনের শুনানি কবে হবে, কার এজলাসে হবে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

[আরও পড়ুন: ‘অসহায় মানুষ খটখট করলে বাংলার দরজা খোলা’, বাংলাদেশ ইস্যুতে মন্তব্য মমতার]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.