Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Governor

চরমে সংঘাত! রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের অপসারণ চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি তৃণমূলের

সাংবিধানিক পদে থেকে বিভেদের রাজনীতি করার অভিযোগ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০২০, ১৩:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০২০, ১৩:৫৫

options
link
চরমে সংঘাত! রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের অপসারণ চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি তৃণমূলের zoom
Advertisement

নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: চরমে উঠল রাজ্য বনাম রাজ্যপালের (Governor) সংঘাত। রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে (Jagdeep Dhankhar) অপসারণ করতে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিল তৃণমূল। বুধবার রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে এই স্মারকলিপি দেন তৃণমূলের পাঁচ সাংসদ।  রাজ্যপালের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছেন তাঁরা।

স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেছেন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়রা। একযোগে তাঁদের অভিযোগ, রাজ্যপাল সংবিধানের সম্মান রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই জরুরিভিত্তিতে তাঁকে অপসারিত করা হোক। তাঁরা আরও লিখেছেন, রাজ্যপাল বিভিন্ন সময় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করেছেন। 

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘রাহুলের চেয়ে চাষবাসটা ঢের ভাল বুঝি, আমি কৃষক পরিবারের সন্তান’, খোঁচা রাজনাথের]

স্মারকলিপিতে সরাসরি রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বিভেদের রাজনীতি করার অভিযোগ এনেছেন তৃণমূল সাংসদরা। তাঁরা লিখেছেন, “কেন্দ্র ও রাজ্য ক্ষমতাসীন দুই দল একে অপরের বিরোধী। শুধুমাত্র এই কারণে রাজ্যপাল রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে বিভেদের রাজনীতি করছে। উনি রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান পদে রয়েছেন, তাই তিনি রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকবেন বলেই আশা করা যায়।” স্মারকলিপিতে  রাজ্যপালের ব্যবহৃত কিছু শব্দ, টুইট, সাংবাদিক সম্মেলনেরও উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শাসকদল তৃণমূলকে অপমান করেছেন বলে অভিযোগ সাংসদদের। এমনকী, তাঁর বিরুদ্ধে সংবিধানের সীমারেখা লঙ্ঘনেরও অভিযোগ রয়েছে। 

উল্লেখ্য, বাংলার রাজ্যপালের পদে বসার পর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে জগদীপ ধনকড়ের সম্পর্কে বিশেষ ভাল নয় বলেই অভিযোগ। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা-সহ একাধিক ইস্যুতে শাসকদলের তথা মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি। পালটা তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপির হয়ে কাজ করছেন তিনি। এরই মাঝে তাঁর অপসারণ চেয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল সাংসদ। এই ঘটনা বাংলার রাজনীতিতে নজিরবিহীন বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। 

[আরও পড়ুন : বাড়িতে আটকে মেয়েকে মারধর প্রাক্তন কংগ্রেসি মন্ত্রীর! উদ্ধার করল মহিলা কমিশন]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.