দু’বার ডেডলাইন ফেল করেছে ঋতব্রত শিবির। তাই আর বাড়তি সময় নয়। তৃণমূলের প্রতীক সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি চেয়ে ফের নির্বাচন কমিশনে কড়া চিঠি লিখলেন কালীঘাট তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বললেন, প্রথমে ৬ জুলাই। তারপর ২৫ জুলাই। তৃণমূলের প্রতীক সংক্রান্ত মামলায় নিজেদের অবস্থান জানানোর জন্য দু’বার বাড়তি সময় চেয়েছিল ঋতব্রত শিবির। কিন্তু সেই ডেডলাইন পার করে গেলেও তাঁরা জবাব দিতে পারেনি। তাই আরও বাড়তি সময় দেওয়া উচিত নয় তাঁদের।
আসলে দলের প্রতীক নিয়ে প্রথমে আবেদন করেছিল ঋতব্রত শিবিরই। নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করে কালীঘাটের হাত থেকে দলের প্রতীক এবং নামের দখল পেতে কমিশনে চিঠি লেখেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেই চিঠির প্রেক্ষিতে কমিশন ঋতব্রত এবং মমতা দুই শিবিরকেই ৬ জুলাইয়ের মধ্যে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা এবং নিজেদের দাবির স্বপক্ষে প্রমাণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই ডেডলাইন মেনে কালীঘাট তৃণমূল কমিশনে নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছে। কিন্তু ঋতব্রত শিবির দু’বার বাড়তি সময় চেয়ে নেয় নিজেদের অবস্থান জানানোর জন্য।
আরও পড়ুন:
দু’দফায় প্রায় ২০ দিন সময় চায় ঋতব্রত শিবির। সেই ডেডলাইন শেষ হয়েছে ২৫ জুলাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, গত ২৫ জুলাই পার হয়ে গেলেও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও উত্তর জমা দিয়েছেন কি না, তা জানানো হয়নি। আর যদি উত্তর দিয়ে থাকেন তাহলে সেটার প্রতিলিপি দেওয়া হয়নি। একাধিকবার সময়সীমা বাড়ানো সত্ত্বেও কোনও জবাব না আসায়, অপর পক্ষের সমস্ত অভিযোগ ও দাবি গ্রহণযোগ্য নয় বলেই ধরে নেওয়া উচিত। ফলে এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা উচিত।
মমতার অভিযোগ, বারবার সময় বাড়ানো হলে সেটা পক্ষপাতিত্বের শামিল। তাছাড়া তাঁর আশঙ্কা, এই দীর্ঘ অতিরিক্ত সময় দেওয়ার ফলে নকল প্রমাণপত্র তৈরির চেষ্টা করতে পারে ঋতব্রত শিবির। মমতার সাফ কথা, “এই ধরনের ক্ষেত্রে দু’পক্ষের সমান সুযোগ পাওয়া উচিত। তাই কমিশন দ্রুত নিষ্পত্তি করুক।” কালীঘাট তৃণমূলের সাফ কথা, ৬ জুলাইয়ের পর আর বাড়তি কোনও সময় পাওয়া উচিত নয় ঋতব্রত শিবিরের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
শিকেয় মক্কা চুক্তি! হাউথি হামলায় সৌদিকে একা ফেলে পালাল পাকিস্তান, ‘ড্যামেজ কন্ট্রোলে’ শাহবাজ
-
‘হিন্দির প্রসারে অনন্য ভূমিকা ছিল নেতাজির’, মাতৃভাষা মাথায় রেখে হিন্দি শেখার পরামর্শ শাহের
-
রশিদকে পিটিয়ে চার-ছক্কায় বিরাট রেকর্ড অভিষেকের, ‘শোধ’ নিলেন ১১২ ব্যাটারের ব্যর্থতার!
-
হরমুজ প্রশ্নের ‘উত্তর’ বীরভূমে! বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে তৈরি হচ্ছে মেগা প্রকল্প
-
ভোট পরবর্তী হিংসায় মৃত্যু, জোর করে সন্দেশখালির বিজেপি কর্মীর দেহ কবর! ৫ বছর পর ময়নাতদন্তে দেহাংশ