Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

‘ব্লু হোয়েল’-এর নেশা থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের দ্বারস্থ এই কিশোর

মারণ নেশা ছাড়তে চাইছে অনেকেই, দাবি মনোবিদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯, ১৯:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯, ১৯:৪৪

options
link
‘ব্লু হোয়েল’-এর নেশা থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের দ্বারস্থ এই কিশোর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৫০ ধাপের একটি অনলাইন গেম। আর সেই অনলাইন গেম নিয়েই এখন আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা বিশ্বে। ‘ব্লু হোয়েল গেম’ এর মারণ নেশায় আত্মঘাতী হতেও পিছুপা হচ্ছে না দেশের কিশোর-কিশোরীরাও। তবে এবার আর নেশা নয়, বরং ‘নীল তিমি’র আতঙ্কই গ্রাস করল তামিলনাড়ুর বছর বারোর কিশোরকে। সম্প্রতি অনলাইন গেমের মারণ নেশা থেকে মুক্তি পেতে আপদকালীন নম্বরে ফোন করে সে। কাউন্সেলারদের কাছে ওই কিশোর স্বীকার করেছে, বাড়ি লোকেদের আগোচরে ‘ব্লু হোয়েল গেম’  খেলত সে। কিন্তু, এখন এই মারণ গেমের নেশা থেকে বেরিয়ে আসতে চায় ওই কিশোর। কারণ তার পরিবারের লোকেদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

[এবার নীল তিমির হানার শঙ্কা বাঁকুড়ায়, কবলে একাদশ শ্রেণির ছাত্র]

Advertisement

গত কয়েক মাসে এদেশে ‘ব্লু হোয়েল গেম’-এর খপ্পরে পড়ে আত্মহত্যা করেছে বেশ কয়েকজন কিশোর-কিশোরী। গত মাসের শেষের দিকে ভারতের এই গেমের প্রথম শিকার হয় মুম্বইয়ে আন্ধেরির ১৪ বছরের এক কিশোর। একটি বহুতল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয় সে। পরবর্তীকালে কেরল, তামিলনাড়ু, পুডুচেরি-সহ দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে ‘ব্লু হোয়েল গেম’-এর খপ্পরে পড়ে কিশোর-কিশোরীদের আত্মহত্যার করার অভিযোগ উঠে। বাদ যায়নি আমাদের রাজ্যও। কলকাতা, পশ্চিম মেদিনীপুরের পর ‘ব্লু হোয়েল’  শিকার হয় বারাসাতের দুই ছাত্রী। শিক্ষকদের তৎপরতায় কোনওভাবে প্রাণে বেঁচে যায় হুগলির মাহেশের এক স্কুলপড়ুয়া। বস্তুত, শনিবার ‘ব্ল হোয়েল’ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাঁকুড়ায়ও।

তবে এখন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করেছেন। তামিলনাড়ুর ওই কিশোরই শুধু নয়, ‘ব্লু হোয়েল’-এর মারণ নেশা থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে অনেকেই। আত্মহত্যা প্রতিরোধকারী সংস্থা ‘স্নেহ’-এর প্রতিষ্ঠাতা লক্ষ্মী বিজয়কুমার বলেন, ‘ যারা এই গেমটি খেলছে, তাদের পরিবারের লোকেরা ক্ষতি করা, এমনকী মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ভয়ে অনেকে ব্লু হোয়েল  গেম থেকে বেরোতে পারছে না।’

[‘ব্লু হোয়েল’কে আটকাবেন কী করে, পথ দেখাচ্ছে Unicef]

কিন্তু, এই ‘ব্লু হোয়েল গেম’টি আসলে কী? এই অনলাইন গেমে থাকে ৫০টি চ্যালেঞ্জ। প্রথমে ভোর ৪টেয় কোনও ভয়ের সিনেমা দেখা দিয়ে শুরু। তারপর হাত কেটে ছবি আঁকা, ছাদের কার্নিস দিয়ে হেঁটে যাওয়ার মতো নানা বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে শেষে আত্মহত্যা। এই গেমটি রুখতে ইতিমধ্যেই কড়া পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রও। গুগল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রামের মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল সাইটগুলি থেকে ‘ব্লু হোয়েল গেম’-এর লিঙ্ক মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রক।

[জন্ম থেকে নেই চোখ-নাক, ৯ বছর ধরে দিব্যি বেঁচে এই শিশু!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.