Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

লালফৌজকে টক্কর দিতে পানাগড়ে নামছে মহাশক্তিধর যুদ্ধবিমান ‘হারকিউলিস’

কলকাতা থেকে মাত্র দেড়শো কিলোমিটার দূরে পানাগড়ের অর্জুন সিং এয়ার ফোর্স স্টেশনে নামছে যুদ্ধবিমান ‘হারকিউলিস’।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৭, ০৪:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৭, ০৪:১৩

options
link
লালফৌজকে টক্কর দিতে পানাগড়ে নামছে মহাশক্তিধর যুদ্ধবিমান ‘হারকিউলিস’ zoom

অর্ণব আইচ: ঘাড়ের কাছে নিশ্বাস ফেলছে চিনের লালফৌজ। সিকিম থেকে অরুণাচলের হিমালয়-সীমান্তজুড়ে অতন্দ্র সতর্কতা ভারতীয় সেনাবাহিনীতেও। এমতাবস্থায় এই মাসেই পশ্চিমবঙ্গের বায়ুসেনার ঘাঁটিতে আসছে অতিশক্তিধর যুদ্ধবিমান ‘হারকিউলিস’। মূলত সেনা ও পণ্য পরিবহণের কাজে দক্ষতার সুবাদে বিশ্বজুড়ে যার নাম সুবিদিত। পোশাকি নাম ‘সি১৩০জে’ বিমান। কলকাতা থেকে মাত্র দেড়শো কিলোমিটার দূরে পানাগড়ের অর্জুন সিং এয়ার ফোর্স স্টেশনে এই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু করে ১০ আগস্টের মধ্যে নিয়ে আসা হচ্ছে মোট ৬টি বায়ুসেনার ‘সি১৩০জে’ হারকিউলিস বিমান।

বায়ুসেনার এক কর্তা জানান, ভারত ও চিন সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতা রয়েছে। চিনের দিক থেকে কোনও অস্বাভাবিকতা দেখা গেলে তার সমুচিত জবাব দিতে তৈরি রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। তাই আগামী কিছুদিনের মধ্যে পানাগড়ে পরপর এতগুলি হারকিউলিস বিমান নিয়ে আসার বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক এস এস বিরদির কথায় “বিমানগুলি যতক্ষণ না আসছে, ততক্ষণ এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো যাবে না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[‘ভারত-চিন সংঘাতের কারণ হতে পারে মোদির উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদ’]

বায়ুসেনা সূত্রে খবর, এই বিমানগুলির বিশেষত্ব হচ্ছে, এগুলি একসঙ্গে প্রায় আড়াইশো সেনা বহন করতে সক্ষম। পানাগড়ে বায়ুসেনার ঘাঁটির কাছেই রয়েছে সেনাশিবির। সেখানে তৈরি হয়েছে পাহাড়ি যুদ্ধে পারদর্শী বিশেষ বাহিনী মাউন্টেন স্ট্রাইক ফোর্সের ঘাঁটি। এই বাহিনী পাহাড়ের আনাচে কানাচে অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে লড়াইয়ে পটু। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে এই পার্বত্য বাহিনীর কিছু সদস্যকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সিকিমে। সেখানে ৩৩ কর্পসের সঙ্গে কাজ করছে তারা। চিনারা বেগড়বাই করলে পানাগড়ের মাউন্টেন স্ট্রাইকিং ফোর্সকে নিয়ে রওনা দেবে ‘সি১৩০জে হারকিউলিস’ যুদ্ধবিমান। যেমন সিকিমের ক্ষেত্রে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে হাসিমারা বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হারকিউলিস পৌঁছে দেবে সৈন্যবহর। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে অথবা সড়কপথে সিকিমের চিন সীমান্তে পৌঁছে যাবে বাহিনী।

পাশাপাশি, উত্তর—পূর্ব ভারতের ৬টি বিমানঘাঁটির আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। হারকিউলিসের দৌলতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেগুলিতেও বিমানে করে পৌঁছে যেতে পারে বাহিনী। আবার হারকিউলিস এমন বিমান, যার ভিতর থেকে সীমান্তবর্তী এলাকায় প্যারাসুটে করে লাফ দিতে পারে প্যারাট্রুপাররাও। প্রয়োজনে ৬টি বিমানে করে একসঙ্গে দেড় হাজার সেনাকে চিনের সীমান্তবর্তী এলাকায় বহন করে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। একসঙ্গে দু’টি করে বিমান ১৫ দিনের মধ্যে আমেরিকা থেকে হাজির হচ্ছে পানাগড়ের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে। তার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিমান হ্যাঙ্গার ও আধুনিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম। প্রথম কয়েকদিন মহড়ার পর তাদের তৈরি রাখা হবে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর জন্য। বায়ুসেনা জানিয়েছে, অপারেশন বেস হওয়ার পর পানাগড় থেকে প্রয়োজনে ওড়ানো হতে পারে ফাইটার যুদ্ধবিমান বা বোমারু বিমানও।

[পাকিস্তানে পরমাণু অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছে চিন, বোমা ফাটালেন মুলায়্ম]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.