৩ শ্রাবণ  ১৪২৬  শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৯ লোকসভা ভোটে শোচনীয় ফল করেছে কংগ্রেস। হেরে গিয়েছে বিশ্রিভাবে। কোনওভাবে যাতে তার প্রভাব ২০২২ সালে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোটে না পড়ে, তার জন্য এখন থেকেই শক্ত হাতে দলের রাশ ধরতে সচেষ্ট হলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। পরাজয়ের গ্লানি ঝেড়ে ফেলে যোগীর রাজ্যে কংগ্রেসের হাত শক্ত করতে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত নিলেন রাজীবকন্যা৷ জানা গিয়েছে, এখন থেকে সপ্তাহে অন্তত দু’বার উত্তরপ্রদেশে যাবেন তিনি। সাক্ষাৎ করবেন, ঘনঘন বৈঠকে বসবেন সব স্তরের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে। আর এভাবেই রাজ্য কংগ্রেসকে বছর তিন পরের মহা ভোটযুদ্ধের জন্য তৈরি করবেন এআইসিসিতে পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কংগ্রেস নেত্রী।

[ আরও পড়ুন: ‘বাবরি ভেঙেছে শিব সৈনিকরা’, রাম মন্দির নির্মাণের ডাক দিয়ে বিস্ফোরক উদ্ধব]

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, উত্তরপ্রদেশের এক কংগ্রেস নেতার কথায়, “লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর, তা নিয়ে একাধিক পর্যালোচনামূলক বৈঠক হয়েছে। আর তাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, এবার থেকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ঘনঘন উত্তরপ্রদেশে যাবেন এবং কর্মীদের সঙ্গে দেখা করবেন। সপ্তাহে অন্তত দু’বার প্রিয়াঙ্কা ওই রাজ্যে যাবেন। ভবিষ্যতে এই হার আরও বাড়বে।” প্রসঙ্গত, ভোটের ফল প্রকাশের পর, দিন কয়েক আগে মা সোনিয়ার সঙ্গে রায়বরেলিতে গিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। সেখানে গোটা রাজ্যের ভোট-ফলে কংগ্রেসের ভরাডুবির জন্য কোনও রাখঢাক না করেই দলীয় কর্মীদের এক হাত নিতে দেখা গিয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। কংগ্রেস নেত্রী তখন বলেছিলেন, “নির্বাচনে কারা কারা দলের জন্য মন দিয়ে কাজ করেছেন, সততা আর নিষ্ঠার সঙ্গে পরিশ্রম করেছেন, তাঁরা নিজেরাই তা ভাল করে জানেন। আবার কারা কিছু করেননি, তাঁরাও জানেন। এঁদের নাম আমি খুঁজে বের করব।”

[ আরও পড়ুন: এনসেফেলাইটিস ও প্রবল গরমে মৃত্যুমিছিল, বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে বিহার সরকার ]

প্রিয়াঙ্কার কথাতেই স্পষ্ট, লোকসভা ভোটের আগে উত্তরপ্রদেশে পরিকল্পনামাফিক প্রচারে ঝড় তুললেও কোথাও গিয়ে যে খামতি থেকে গিয়েছিল, পরবর্তী কালে হারের কারণ পর্যালোচনা করতে বসে তা তিনি বিলক্ষণ বুঝেছেন। আর তাই তিনি কোনওভাবেই চান না, তার পুনরাবৃত্তি ২০২২ বিধানসভা ভোটেও ঘটুক। সেকারণেই দলীয় কর্মীদের সঙ্গে ঘন ঘন সাক্ষাৎ করে, যোগাযোগ আরও বাড়াতে চাইছেন তিনি। রাজ্যে যাত্রা বৃদ্ধিও সেই উদ্দেশ্যেই।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং