Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Meghalaya Congress

তৃণমূলকে রুখতে মেঘালয়ে বিজেপির জোট সরকারকে ‘সমর্থন’ কংগ্রেসের! তুঙ্গে বিতর্ক

মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে কংগ্রেস, তোপ তৃণমূলের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০২১, ০৯:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০২১, ০৯:০০

options
link
তৃণমূলকে রুখতে মেঘালয়ে বিজেপির জোট সরকারকে ‘সমর্থন’ কংগ্রেসের! তুঙ্গে বিতর্ক zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মেঘালয়ের রাজনীতিতে নতুন মোড়। তৃণমূল (TMC) পা রাখতেই সেরাজ্যে বিজেপির (BJP) কাছাকাছি চলে এল কংগ্রেস! মেঘালয়ে কংগ্রেসের অবশিষ্ট পাঁচ বিধায়ক এবার বিজেপি-এনপিপি জোট সরকারকে ইস্যুভিত্তিক সমর্থনের কথা ঘোষণা করে দিলেন। যার অর্থ, সরাসরি না হলেও বাইরে থেকে মেঘালয়ের জোট সরকারের ‘সঙ্গী’ হয়ে গেল হাত শিবির।

কংগ্রেসের (Congress) পরিষদীয় দলনেত্রী আমপারিন লিংডো ঘোষণা করেছেন,”আমরা বিভিন্ন ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে নিঃশর্ত সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছি। আমাদের মনে হয়েছে মেঘালয়ের স্বার্থের কথা ভেবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সরকারকে সমর্থন করা দরকার।” কংগ্রেসের ইঙ্গিত, মুকুল সাংমা (Mukul Sangma) বিরোধী নেতা থাকাকালীন যেভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হত। সরকারের অন্ধ বিরোধিতা করা হত, সেটা আর করতে চায় না কংগ্রেস। রাজ্যের স্বার্থে অনেক ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন বলে মনে করছে মেঘালয়ের হাত শিবির। যদিও কংগ্রেসের দাবি, তাঁরা সরাসরি মেঘালয়ের সরকারে যোগ দিচ্ছে না। বা মেঘালয় সরকারকে বাইরে থেকেও সমর্থন করছে না। বিরোধী শিবিরে থেকেই সরকারের কাজে সহযোগিতা করছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘দেশের যত দুঃখ-দুর্দশা সব হিন্দুত্ববাদীদের জন্য’, আমেঠিতে দাঁড়িয়ে বললেন রাহুল]

তবে সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার (Conrad Sangma) সঙ্গে দেখা করে তাঁকে পূর্ণ সমর্থনের কথা জানিয়ে এসেছেন কংগ্রেস নেতারা। এমনকী সাংমাকে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে ইউপিএতে (UPA) যোগ দেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে। এই মুহূর্তে মেঘালয়ে সাংমার নেতৃত্বে মেঘালয় ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট অর্থাৎ এমডিএ-র সরকার চলছে। যা কিনা বৃহত্তম এনডিএরই অংশ। ঘটনাচক্রে দু’জন বিজেপি বিধায়কও এই সরকারের অংশ। এবং একজন মন্ত্রীও রয়েছেন বিজেপির। সম্ভবত সেকারণেই সরাসরি এই সরকারে যোগ দিতে পারছে না কংগ্রেস। তবে, কনরাডের সঙ্গে আগামী দিনে জোটের রাস্তা খোলা রাখতেই এভাবে সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছে কংগ্রেস, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তাছাড়া কনরাড সাংমার সমর্থন পেলে মণিপুরেও সুবিধা হবে হাত শিবিরের।

[আরও পড়ুন: ‘ইউপি প্লাস যোগী, খুবই উপযোগী’, উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনের আগে নয়া স্লোগান মোদির]

কংগ্রেসের এই এমডিএ প্রীতি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তীব্র আক্রমণ করেছেন তৃণমূল নেতা মুকুল সাংমা। তাঁর বক্তব্য,”কংগ্রেস যে মেঘালয়ের মানুষের বিশ্বাসের যোগ্য না তা আরও স্পষ্ট হয়ে গেল। মানুষের দেওয়া দায়িত্ব পালন না করে ক্ষমতার লোভে ছুটছে কংগ্রেস। এরা ২০১৮ বিধানসভা ভোটের পরেও এভাবে সরকার গড়ার চেষ্টা করেছিল।” মুকুল এদিন আরও একবার মেঘালয়ের বাকি পাঁচ কংগ্রেস বিধায়ককে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.