Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিরোধিতায় সরব কংগ্রেস-তৃণমূল, রাজ্যসভায় থমকে তিন তালাক বিল

অথৈ জলে সংশোধিত তিন তালাক বিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮, ২০:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮, ২০:১২

options
link
বিরোধিতায় সরব কংগ্রেস-তৃণমূল, রাজ্যসভায় থমকে তিন তালাক বিল zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লোকসভায় পাশ হয়ে গেলেও রাজ্যসভায় আটকে গেল সংশোধিত তিন তালাক বিল। বিলটির আইনে পরিণত হওয়া আটকাতে বদ্ধপরিকর ছিল বিরোধীরা। বিরোধীদের দাবি ছিল বিলটিতে আরও কিছু সংশোধনীর প্রয়োজন, যার জন্য এটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো হোক। এই দাবিতে একজোট হয়েছিল কংগ্রেস ও তৃণমূলের  মতো বড় বিরোধী দলগুলি। রাজ্যসভায় বিল পেশ হওয়ার পরই হট্টগোল শুরু করে দেন বিরোধী সাংসদরা। শেষ পর্যন্ত রাজ্যসভার অধিবেশন ২ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতুবি হয়ে যায়।

ইতিমধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার বলে লোকসভায় তিন তালাক বিলটি পাশ করিয়ে নিয়েছে সরকার। কিন্তু আসল পরীক্ষা ছিল রাজ্যসভায়। কারণ, রাজ্যসভায় এখনও এনডিএ সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়। তাছাড়া এনডিএ শরিক জেডিইউ সরকারকে সমর্থন করবে না বলেই জানিয়ে দিয়েছিল। তাই এই বিল পাশ করানোটা চ্যালেঞ্জ ছিল সরকারের জন্য। তাছাড়া আগে থেকেই বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে একজোট হয়েছিল বিরোধীরা। কংগ্রেস দলীয় সাংসদদের জন্য হুইপ জারি করেছিল। তৃণমূল কংগ্রেস বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর জন্য একটি প্রস্তাবও পেশ করে। বিরোধীদের দাবি, এর আগে বিলটিতে যে সংশোধনীর প্রস্তাবগুলি দেওয়া হয়েছিল তা পুরোপুরি মানেনি সরকার। তাই বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠিয়ে উপযুক্ত সংশোধনী এনে পাশ করানো হোক। বিরোধীদের হ্ট্টগোলে প্রথমে রাজ্যসভা দুটো পর্যন্ত, পরে গোটা দিনের মতো মুলতুবি হয়ে যায়। পরবর্তী অধিবেশন ২ জানুয়ারি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[বিরোধীদের আপত্তি সত্ত্বেও লোকসভায় পাশ সংশোধিত তিন তালাক বিল]

সংশোধিত তিন তালাক বিল পাশ হয়ে গেলে তিন তালাক শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। তিন তালাক দিলে ৩ বছরের জেল এবং জরিমানা হওয়ারও নিয়ম আনা হচ্ছে। বিরোধীদের এতেই আপত্তি। তাঁরা বলছেন, কোনও সামাজিক অপরাধের ক্ষেত্রে কোনওভাবেই ফৌজদারি অপরাধের মতো শাস্তি দেওয়া যায় না। বিরোধীদের মূলত তিনটি দাবি ছিল। প্রথমত, অন্য কোনও ধর্মে বিচ্ছেদের জন্য শাস্তি পেতে হয় না। কংগ্রেসের অভিযোগ এক্ষেত্রে মুসলিমদের টার্গেট করা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, বিলটিতে কোথাও বলা নেই, স্বামী শাস্তি পেলে মহিলাদের ভরনপোষণের দায়িত্ব কে নেবে। তৃতীয়ত, এভাবে শাস্তির ব্যবস্থা করলে ভবিষ্যতে আদৌ ওই দম্পতির একসঙ্গে ফিরে আসার আর কোনও সম্ভাবনা থাকবে না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.