Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

কর্তব্যে গাফিলতি, তিন প্রশাসনিক আধিকারিককে বরখাস্ত ত্রিপুরার নয়া মুখ্যমন্ত্রীর

গ্রামে সারপ্রাইজ ভিজিটেই বোঝেন কোনও কাজই হচ্ছে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯, ১৬:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯, ১৬:২৬

options
link
কর্তব্যে গাফিলতি, তিন প্রশাসনিক আধিকারিককে বরখাস্ত ত্রিপুরার নয়া মুখ্যমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বয়সে তরুণ। এসেছেন মানুষের অনেক চাহিদা পূরণের কথা মাথায় রেখে। সে কথা তিনি ভোলেননি। মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেই তাই সাংবাদিক হত্যায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিপ্লব দেব। এবার কর্তব্যে গাফিলতির দায়ে বরখাস্ত করলেন তিন প্রশাসনিক আধিকারিককে। যাঁদের মধ্যে আছেন একজন ব্লক ডেভলেপমেন্ট অফিসারও।

[  রাজ্যসভা ভোটে জিতলে দেশের সবচেয়ে ধনী সাংসদ হবেন জয়া বচ্চন ]

Advertisement

ত্রিপুরায় দীর্ঘ আড়াই দশকের লাল দুর্গে ফাটল ধরিয়েছে পদ্ম শিবির। ভোটের অঙ্ক আলাদা। সেখানে অন্য রাজনীতি। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর মানুষের হয়ে কাজ করাই যে মুখ্য, এই শিক্ষা থেকে দূরে সরে যাননি নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তিনি খুব ভালই জানেন, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা অটুট ছিল। কিন্তু সামগ্রিকভাবে বাম শাসনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ ছিল ত্রিপুরার বেশিরভাগ মানুষ। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে যে শ্যাওলা জমে প্রশাসনে, এখানেও তা হয়েছিল বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে বামেদের দূরত্ব বেড়েছিল বলেও মনে করা হচ্ছে। সেই ক্ষোভই চালিত হয়েছে ভোটবাক্সে। সুতরাং এখন মানুষের ক্ষোভ মেটানো ও চাহিদা পূরণই যে তাঁর আশু কর্তব্য তা ভালই জানেন বিপ্লব দেব। গোড়াতেই তাই চাহিদা মেনে দুই সাংবাদিক হত্যায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজনীয় আইনি দিক খতিয়ে দেখার কথাও জানিয়েছেন। কর্মচারীদের মাইনে বাড়ানোরও পরিকল্পনা নিয়েছেন। তবে সেখানেই শেষ নয়। আরও বৈপ্লবিক পদক্ষেপের দিকে হাঁটলেন মুখ্যমন্ত্রী।

[  সুপ্রিম নির্দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ল আধার সংযুক্তির সময়সীমা ]

উত্তর ত্রিপুরায় বেশ কয়েকটি অঞ্চলে সারপ্রাইজ ভিজিটে গিয়েই চমকে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কোথায় কী কাজ হচ্ছে তা খতিয়ে দেখছিলেন। তখনই বুঝতে পারেন কেন্দ্রীয় বরাদ্দই সার। কোথাও কোনও কাজ হয়নি। এমনকী রাস্তা সারানোও ঠিকঠাক হয়নি। এরপরই প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ বিপ্লব দেব তিন প্রশাসনিক আধিকারিককে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেন। যাঁদের মধ্যে আছেন একজন বিডিও। জানা যাচ্ছে, রাস্তার কাজ না হওয়া সত্ত্বেও ওই বিডিও বিল পাশ করে দিয়েছিলেন। আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় যান মুখ্যমন্ত্রী। এবং একই ছবি দেখতে পান। আধিকারিকদের গাফিলতিতেই উন্নয়ন থমকে যাওয়ার ছবি গোপন থাকেননি। ফলে গোড়াতেই খড়্গহস্ত হয়েছেন। এই পদক্ষেপেই গোটা প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী।

[  তাঁর ডাকেই ৫০ হাজার কৃষক ১৮০ কিমি পথ হেঁটেছেন, চেনেন বিজু কৃষ্ণণকে? ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.