Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

টিআরএস আসলে আরএসএস, তেলেঙ্গানায় বিজেপিকে তোপ রাহুলের

বিজেপির কেয়ারটেকার কেসিআরের দল, কটাক্ষ রাহুলের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০১৮, ০৯:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০১৮, ০৯:০৮

options
link
টিআরএস আসলে আরএসএস, তেলেঙ্গানায় বিজেপিকে তোপ রাহুলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতিকে নরেন্দ্র মোদির কেয়ারটেকার বলে কটাক্ষ করলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। কেন্দ্র থেকে বিজেপি ও রাজ্য থেকে টিআরএসকে উপড়ে ফেলার বার্তা দিলেন তিনি। আজ, বুধবার জনসভার পর অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডুর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করেন। রাহুল গান্ধী বলেন, ‘টিআরএস-এর আসল নাম টিআরএসএস। আর এদের কাজ গোটা দেশে নরেন্দ্র মোদিকে বাঁচানো। আমরা এই পার্টনারশিপকে ভাঙতে চাই।’

[মোদি জমানায় তরতরিয়ে বাড়ছে গোমাংস রপ্তানি, বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে ভারত]

Advertisement

এদিন জনসভায় রাহুল গান্ধী বলেন, ” আর কয়েকদিনের মধ্যেই তেলেঙ্গানায় ঝড় আসছে। রাজ্যের মানুষের কথাই শেষ কথা হবে। তেলেঙ্গানার মানুষের স্বপ্নপূরণ হবে। আমরা এই কর্মযজ্ঞে আপনাদের পাশেই আছি। আমরাই আপনাদের কথা শুনব। আমরাই আপনাদের স্বপ্নের তেলেঙ্গানা গড়ব। মোদি ও কেসিআরের পার্টনারশিপ আছে। দিল্লিতে মোদিকে সমর্থন করেন তিনি।” যার পরিপ্রেক্ষিতে রাহুল জানান, বিমুদ্রাকরণ, উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও জিএসটি ইস্যুতে বিজেপিকে সমর্থন করেছে টিআরএস। রাহুল সেই প্রসঙ্গেই বলেন, “টিআরএসের আসল নাম টিআরএসএস। এরা গোটা দেশের মোদিকে বাঁচানোর কাজ করে যাচ্ছে। আমরা পার্টনারশিপটাকে ভাঙতে চাই। প্রথমে তেলেঙ্গানায় কেসিআর-কে হারাতে হবে। তারপর কংগ্রেস ও অন্য দলগুলো মিলে নরেন্দ্র মোদিকে হারাব। মোদিকে সরানোর জন্য আমাদের সংগঠিত হতে হবে।”

[স্বাধীনতা সংগ্রামী কুম্ভরামকে ‘কুম্ভকর্ণ’ বলে বিপাকে রাহুল, কটাক্ষ মোদির]

এদিন হায়দরাবাদে চন্দ্রবাবু নায়ডুর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল গান্ধী বলেন, “নাটকীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছেন কেসিআর। শুধু তরুণদের চাকরির ক্ষেত্রে নয়, রাজ্যে অপরাধের সংখ্যাও বাড়ছে। বিমুদ্রাকরণে কীভাবে মোদিকে সমর্থন করলেন কেসিআর? দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেল। কেসিআরের বক্তব্য শুনলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। উনি নার্ভাস ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আমাদের এটা নিশ্চিত করতে হবে, তেলেঙ্গানা তরুণদের হাতেই নিয়ন্ত্রিত হবে। যাঁরা রাজ্য চালাবে।” একইসঙ্গে তেলেঙ্গানার কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “কৃষকরা যেন রাজ্যের দায়। তাঁদের সম্পদ হিসেবে দেখা উচিত, সম্মান দেখানো হোক।” এদিন রাহুলকে প্রশ্ন করা হয়, কংগ্রেস ও টিডিপি জোট ক্ষমতায় এলে কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী ? জবাবে বলেন, ‘এখনও এই প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় হয়নি। কেসিআরকে রাজ্য থেকে উচ্ছেদ করাই আমাদের প্রথম লক্ষ্য।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.