Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Uddhav Thackeray

‘বাংলায় চালু করে দেখান’, ত্রিভাষা নীতির বিরুদ্ধে ‘গুন্ডাগিরি’র হুঁশিয়ারি রাজ-উদ্ধবের

প্রায় ২০ বছর পর মারাঠা রাজনীতিতে দুই ভাইয়ের পুনর্মিলন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৫, ১৯:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৫, ১৯:২৬

options
link
‘বাংলায় চালু করে দেখান’, ত্রিভাষা নীতির বিরুদ্ধে ‘গুন্ডাগিরি’র হুঁশিয়ারি রাজ-উদ্ধবের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় ২০ বছর পর মারাঠা রাজনীতিতে দুই ভাইয়ের পুনর্মিলনে নয়া অঙ্ক কষতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহল। এই মঞ্চ থেকেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বাংলার উদাহরণ টেনে আনলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। ত্রিভাষা নীতি নিয়ে বিজেপি-শিন্ডেসেনা-এনসিপি (অজিত)-এর জোট সরকারকে তুলোধোনা করলেন দুই ভাই। হুঁশিয়ারি দিলেন, “ন্যায়ের জন্য যদি আমাদের গুন্ডা হতে হয়, তবে আমরা গুন্ডা।”

মহারাষ্ট্রে জাতীয় শিক্ষানীতি অনুসরণের পথে হেঁটেও প্রবল বিরোধিতার জেরে শেষ পর্যন্ত পিছু হটেছে ফড়ণবিসের জোট সরকার। সম্প্রতি তৃতীয় ভাষা হিসেবে হিন্দি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েও নির্দেশিকা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই সাফল্য উদযাপন করতেই শনিবার মহারাষ্ট্রের ওরলিতে ‘আওয়াজ মারাঠিচা’ (মারাঠি কণ্ঠস্বর) সভার আয়োজন করেন রাজ ও উদ্ধব ঠাকরের দল। সেখানেই ফড়ণবিস সরকারকে তোপ দেগে বলেন, “দেবেন্দ্র ফড়ণবিস আপনি বলেছেন, ভাষা আগ্রাসন আপনি বরদাস্ত করবেন না। তাহলে একজন মারাঠি দেখান, যিনি মহারাষ্ট্রের বাইরে অন্য রাজ্যে মারাঠি ভাষা চালুর জন্য লড়েছেন।”

Advertisement

একইসঙ্গে সুর চড়িয়ে বলেন, “বাংলা ও তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে হিন্দি ভাষাকে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন দেখি। মনে রাখবেন, আমরা কোনও ভাষার বিরুদ্ধে নই। তবে যদি বলপ্রয়োগ করা হয়, আমরাও শক্তি প্রদর্শনে বাধ্য হব।” পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “ভাষার প্রশ্নে রাজ, আমি এবং এখানে সবাই এক। হ্যাঁ, আমরা গুন্ডা। ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য যদি আমাদের গুন্ডা হতে হয়, আমরা গুন্ডাগিরি করব। রাস্তায় আমাদের ক্ষমতা আছে। আপনাদের ক্ষমতা আইনসভায়।’

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এই মঞ্চ থেকে একসঙ্গে চলার বার্তা দেন বাল ঠাকরের পুত্র ও ভাইপো। দুই ভাই একসঙ্গে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবিসকে। রাজ বলেন, “যে কাজটা বাল ঠাকরে করতে পারেননি, অন্য অনেকে করতে পারেননি। সেটাই করে দেখিয়েছেন ফড়ণবিস। আমাদের এক করে দিয়েছে।” উদ্ধব বলেন, ”বিজেপি গোটা দেশে সবকিছুকে এক করে দিতে চাইছে। হিন্দু বা হিন্দুস্তানে আপত্তি নেই। কিন্তু হিন্দি আমরা মানব না। বিজেপির কাছে আমরা হিন্দুত্বও শিখব না।”

উল্লেখ্য, মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে বেশ কিছুদিন ধরেই কানাঘুষো নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচাতে বৃহন্মুম্বই পুরনিগমের নির্বাচনে একসঙ্গে লড়তে চলেছে শিব সেনার উদ্ধব গোষ্ঠী এবং রাজ ঠাকরের মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা। আসলে সদ্যই মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে দু’দলের। উদ্ধব কোনওরকমে মুম্বই এলাকায় নিজের অস্তিত্ব বাঁচিয়ে রেখেছেন। আর রাজ ঠাকরে নিজের ছেলেকেও জেতাতে পারেননি। দুই দলই অস্তিত্বের সংকটে। তাই অস্তিত্ব বাঁচাতে পুরনো পারিবারিক বিবাদে ঠাকরে পরিবার এক ছাতার তলায় চলে এলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.