Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

অন্ধ্রপ্রদেশের দুই বিধায়ককে গুলি করে মারল মাওবাদীরা

কীভাবে এত বড় হামলা চালালো মাওবাদীরা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮, ১৭:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮, ১৭:৩২

options
link
অন্ধ্রপ্রদেশের দুই বিধায়ককে গুলি করে মারল মাওবাদীরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোটা রাজ্যজুড়ে লাগাতার অভিযান চললেও মাওবাদীদের নির্মূল করতে চূড়ান্ত ব্যর্থতার প্রমাণ দিল অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার৷ রবিবার সাতসকালে মাওবাদীদের গুলিতে প্রাণ হারালেন অন্ধ্রপ্রদেশের শাসকদল তেলুগু দেশম পার্টির দুই বিধায়ক৷ অন্ধ্রপ্রদেশের আরাকুর বিধায়কদের গাড়ি থামিয়ে গুলি ছুড়ে চম্পট দেওয়ার অভিযোগ অন্ধ্রের মাও স্কোয়াডের বিরুদ্ধে৷ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও গ্রেপ্তারির খবর পাওয়া না গেলেও নতুন করে শুরু মাওদমন অভিযান৷ বিধায়ক কিদারি সর্বেশ্বর রাও ও প্রাক্তন বিধায়ক শিভেরি সোম মাওবাদীদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ ঘটনাটি ঘটেছে বিশাখাপত্তনম থেকে ১২৫ কিলোমিটার দূরে থুটাঙ্গি গ্রামে৷

[জানেন, তিন বছরে স্রেফ প্রকল্পের উদ্বোধনে কত টাকা খরচ করেছে রেল?]

রবিবার নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন ওই দুই বিধায়ক৷ অভিযোগ, আগাম খবর পেয়ে থুটাঙ্গি গ্রামে ওত পেতে বসে ছিল মাওবাদীদের একটি স্কোয়াড৷ বিধায়কের গাড়ি থুটাঙ্গি জঙ্গলে ঢুকতেই জনা ৫০ জনের একটি দল শাসকদলের দুই বিধায়ককে ঘিরে ধরে৷ কিছু বুঝে ওঠার আগেই শুরু হয় এলোপাথাড়ি গুলি৷ বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষীরা পালটা গুলি চালালেও তা ধোপে টেকেনি৷ গুলিবর্ষণ করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় দুই বিধায়কের দেহ৷ ঘটনায় গুরুতর জখম হন দুই নিরাপত্তা কর্মী৷ দুই বিধায়ককে গুলি করে খুনের পর ফের গভীর জঙ্গলে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা৷ পরে, পুলিশ পৌঁছে দেহ দুটি উদ্ধার করে৷

Advertisement

[বান্ধবীকে চকোলেট উপহার, নিম্নবর্ণের কিশোরকে নগ্ন করে গ্রাম ঘোরাল মাতব্বর]

 

[সেনা-জঙ্গি লড়াইয়ে উত্তপ্ত কাশ্মীর, চলছে গুলিবর্ষণ]

তবে, টিডিপি নেতা সর্বেশ্বরের উপর যে হামলা হতে পারে, তা আগেই হুলিয়া জারি করে রেখে ছিল মাওবাদীরা৷ কিন্তু, মাওবাদীদের হুমকিকে পাত্তা দেয়নি স্থানীয় প্রশাসন৷ অভিযোগ, প্রশাসনিক দুর্বলতাকে কাজে লাগায়ে গোপনে শক্তি বাড়াতে শুরু করে মাওবাদীরা৷ পরে, সরকারি অনুষ্ঠানে বিধায়কের উপস্থিতির খবর ও রুটম্যাপের তথ্য হাতিয়ে এদিনের এই জোড়া খুনের ঘটনা হয় বলে খবর৷ এদিনের এই ঘটনার পর মাওবাদী দমনে বিশেষ প্রশিক্ষিত গ্রেহাউন্ড বাহিনী ঘটনাস্থল দখলে রেখেছে বলে খবর৷ তবে প্রশ্ন উঠছে, কোটি কোটি টাকা খরচ করে যখন মাওদমন অভিযান চলছে, তখন কীভাবে এত বড় হামলা চালালো মাওবাদীরা? জঙ্গল মাওবাদীদের শক্তি বৃদ্ধির খবর কি ছিল না গোয়েন্দাদের কাছে? তাহলে কি মাও উচ্ছেদ অভিযান রুখতে ব্যর্থ অন্ধ্র সরকার? প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.