সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হরিয়ানায় হারতেই কংগ্রেসের উপর চাপ বাড়ানো শুরু করল জোট শরিকরা। হরিয়ানার পরই ভোট মহারাষ্ট্রে। সেরাজ্যে কংগ্রেসের জোটসঙ্গী এনসিপির শরদ পওয়ার শিবির, এবং শিব সেনার উদ্ধব শিবির। উদ্ধব শিবিরের প্রধান উদ্ধব ঠাকরে সাফ বলে দিলেন, এবার মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসের উচিত মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসাবে কারও নাম ঘোষণা করা।
হরিয়ানায় কংগ্রেসের হারের অন্যতম কারণ ইন্ডিয়া জোটের অন্য শরিকদের সঙ্গে সমন্বয়ের অভাব। অন্তত ১৪টি আসনে কংগ্রেস হেরেছে আপ, আইএনএলডি এবং বিক্ষুব্ধ নির্দলদের জন্য। হরিয়ানায় কংগ্রেস এবং বিজেপির ভোট শতাংশের পার্থক্য কমবেশি ০.৯০ শতাংশ। সেখানে আম আদমি পার্টি একাই পেয়েছে প্রায় পৌনে ২ শতাংশ ভোট। আবার হরিয়ানার যাদব বেল্টে একটি আসনের দাবি ছিল সমাজবাদী পার্টির। ওই এলাকাতেও কংগ্রেস কোনও আসন সপার জন্য ছাড়েনি। ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের ধারণা, কংগ্রেসের ‘দাদাগিরি’র জন্যই হরিয়ানার এই ফল।
হরিয়ানার ভোটের এই ফলের প্রভাব মহারাষ্ট্রেও পড়বে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সেই আশঙ্কা থেকেই কংগ্রেসকে সতর্ক করলেন উদ্ধব ঠাকরে। উদ্ধবের বক্তব্য, “মহারাষ্ট্রে মহা বিকাশ আঘাড়ির শরিকদের উচিত মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসাবে কারও নাম ঘোষণা করা। কংগ্রেস নাম ঘোষণা করুক, বা এনসিপি নাম ঘোষণা করুক। যারই নাম ওরা ঘোষণা করবে আমরা নিঃস্বার্থে সমর্থন করব।” উদ্ধবের সাফ কথা, “যাকেই মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসাবে ঘোষণা করা হোক, আমি সমর্থন করব, কারণ আমি মহারাষ্ট্রের স্বার্থ দেখি।”
উদ্ধব ঠাকরে চাইছেন, বিরোধী শিবির মহারাষ্ট্রের নির্বাচনে যাক মুখ্যমন্ত্রীর মুখ ঘোষণা করেই। কংগ্রেস এবং এনসিপি শিবির সেটা চাইছে না। কংগ্রেস এবং এনসিবি শিবিরের বক্তব্য, ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী বেছে নেওয়া অপ্রয়োজনীয়। ভোটের পর যে দল বেশি আসন পাবে তাঁদের মধ্যেই কাউকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করা হবে। এতদিন উদ্ধব নিমরাজি ছিলেন এই প্রস্তাবে। হরিয়ানার ভোটের ফলের পর ফের চাপ বাড়াচ্ছেন উদ্ধব।
সর্বশেষ খবর
-
নতুন হর্ষদ মেহতা, ১৫ লক্ষ কোটির শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি! জড়িয়ে গেল এলআইসির নামও
-
পাটের জমিতে লুকিয়ে ২ দিন! পুলিশ ভ্যান থেকে ঝাঁপ দিয়ে পলাতক দুষ্কৃতী অবশেষে জালে
-
যৌনগন্ধী মন্তব্য বিতর্ক অতীত, জন্মদিনে প্রেমিকার সঙ্গে মহাকালের দরবারে ‘শাপমোচন’ রণবীরের
-
বিশ্বকাপের আগে মেসির মুকুটে নতুন পালক, প্রথম ফুটবলার হিসাবে জিতলেন এই পুরস্কার
-
কলকাতা পুরসভা বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা! ১৯ জুন অধিবেশনের ডাক ‘পুরনো তৃণমূলে’র