Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
Tripura

ত্রিপুরায় ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতু, কাটমানি আদায়ে প্রশ্নবিদ্ধ মন্ত্রী-বিধায়ক

ত্রিপুরার উনকোটির কুমারঘাটের মনু নদীর উপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিল বিগত বামফ্রন্ট সরকার। বিজেপি সরকারের আমলে শুরু হয় এই সেতু নির্মাণের কাজ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৩:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৩:১৬

options
link
ত্রিপুরায় ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতু, কাটমানি আদায়ে প্রশ্নবিদ্ধ মন্ত্রী-বিধায়ক zoom
উনকোটি জেলার কুমারঘাটের সোনাইমুড়িতে মাঝনদীতে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতুর বিরাট অংশ। ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

ডবল ইঞ্জিন সরকারে স্বচ্ছ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির মধ্যেই ত্রিপুরায় (Tripura) উনকোটি জেলার কুমারঘাটের সোনাইমুড়িতে মাঝনদীতে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতুর বিরাট অংশ। কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন এলাকার মানুষের। ঠিকাদারদের থেকে সরকার এবং মন্ত্রী-বিধায়কদের কাটমানি আদায়ের ফলেই এই ঘটনা বলে অভিযোগ। এ কাজের জন্য ছ’কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল।

ত্রিপুরার উনকোটির কুমারঘাটের মনু নদীর উপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিল বিগত বামফ্রন্ট সরকার। ২০১৭ সালে সেতু নির্মাণের জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে তৎকালীন সরকার। পরবর্তীতে সরকার পরিবর্তনের পর বিজেপি সরকারের আমলে শুরু হয় এই সেতু নির্মাণের কাজ। শুরু থেকেই এই সেতু তৈরির ক্ষেত্রে গুণগত মান বজায় রাখা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। এবার নির্মীয়মাণ অবস্থায় মাঝনদীতে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতুর বিরাট অংশ। এলাকার বাসিন্দা রাজেশ মালাকার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার ফলেই ঘটেছে এই বিপত্তি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

স্থানীয় পূর্ত দপ্তরের অধীনে চলছে এই সেতুর নির্মাণ কাজ। এ বিষয়ে কুমারঘাট পূর্ত বিভাগের আধিকারিক রতিরঞ্জন দেবনাথ জানান, প্রায় ১৪০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি ব্রিজটির নির্মাণকাজ চলছিল। ৩৫ মিটার স্প্যানের সুপার-স্ট্রাকচার ঢালাইয়ের সময় আচমকাই ধসে পড়ে ব্রিজের অংশটি। আগাম বৃষ্টিতে নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় মাটির ভার বহন ক্ষমতা কমে যায়। ফলে অস্থায়ী স্টেজিং কাঠামো ভর নিতে না পেরে ভেঙে পড়ে। এই ব্রিজ নির্মাণ করছে কলকাতার বেসরকারি একটি নির্মাণ সংস্থা। প্রায় ৬ কোটি টাকার প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল ২০২১ সালে। দপ্তরের আধিকারিকের দাবি, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার হয়নি সেতু নির্মাণে। আন্ডারটেকিং অনুযায়ী, নিজেদের খরচেই পুনরায় সেতুটি তৈরি করবে বরাত প্রাপ্ত সংস্থা।

ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান কুমারঘাট সফরে আসা কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। পরিদর্শনে গিয়ে সেতু নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন কংগ্রেস বিধায়ক। সরকারের কাছে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। সেতু নির্মাণে সরকার পক্ষের তরফে সংস্থার কাছ থেকে কাটমানি আদায়ের অভিযোগ তোলেন সুদীপ। তিনি বলেন কমিশন আদায়ের ফলে গুণগত মান বজায় রাখা হয়নি সেতু নির্মাণে। রাজ্যজুড়ে জনগণের টাকা আত্মসাৎ করার খেলা চলছে বলে প্রকাশ্যে সরকারকে নিশানা করেন।

সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায় পূর্ত দপ্তরের আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করেন স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্বও। তারা এ বিষয়ে একটি স্মারকলিপি তুলে দেন দপ্তরের আধিকারিকের কাছে। বাম নেতা সুব্রত দাস প্রশ্ন তোলেন সেতু নির্মাণে কাজের গুণগত মান নিয়ে। ঘটনাকে ঠিকেদারি কাজ থেকে নেতা-মন্ত্রীদের কাটমানি আদায়ের ফল বলে কটাক্ষ করেন বাম নেতা। ডবল ইঞ্জিন সরকারের উন্নয়নে নির্মীয়মাণ সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। ঘটনা ঘিরে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.