সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডাক টিকিটে কুখ্যাত মাফিয়া ছোটা রাজনের ছবি! রয়েছে আরেক মাফিয়া বজরঙ্গি মুন্নার ছবিও। এই ঘটনায় উত্তরপ্রদেশে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তে নেমেছে কানপুরের ডাকবিভাগের আধিকারিকরা।
কেন্দ্র সরকারের ডাক বিভাগের তরফে নয়া একটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। নাম ‘মাই স্ট্যাম্প’। এই প্রকল্পে ভারতীয় নাগরিকরা ‘পার্সোনালাইজড স্ট্যাম্প’ বা ডাক টিকিট ছাপাতে পারবেন। তাতে ওই নাগরিকের নিজের ছবি, কোনও প্রতিষ্ঠানের লোগো কিংবা দেশের কোনও ঐতিহ্যপূর্ণ বিল্ডিং, জনপ্রিয় পর্যটনস্থল, ঐতিহাসিক শহরের ছবিও থাকতে পারে। তবে আপত্তিজনক কোনও ছবি ডাক টিকিটে ছাপানো যাবে না। অথচ কানপুরে দুই মাফিয়ার ছবি দিয়ে ডাক টিকিট ছাপানো হয়েছে।
[আরও পড়ুন : ‘দেখি কার কত দম’, বলিউডি স্টাইলে ইডির তলবের জবাব সঞ্জয় রাউতের!]
একলপ্তে ১২টি করে এই ধরণের ডাক টিকিট মেলে। এক একটি ডাক টিকিট দাম পড়ে ৫ টাকা। এক পাতা এ ধরণের ডাক টিকিট পেতে মোট খরচ ৩০০ টাকা। ছোটা রাজন ও বজরঙ্গি মুন্নার ছবি স্ট্যাম্পে ছাপাতে ৬০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কে বা কারা এই টাকা দিয়েছে, বা এই ডাক টিকিট ছাপানোর বরাত দিয়েছে, তা এখনও অজানা। তবে এর পিছনে দপ্তরের আধিকারিকদের গাফিলতি রয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
উল্লেখ্য, ‘মাই স্ট্যাম্প’ ছাপাতে হলে বিশেষ ফর্ম ফিলাপ করতে হবে। কী ডাক টিকিট ছাপানো হবে তার একটা আলাদা ক্যাটালগ আছে। ফর্মপূরণ করে অপারেটরের কাছে জমা করতে হয়। তবে ডাক টিকিট ছাপানোর আগে দেখা হয় ওই ছবি বা লোগো আইনবিরুদ্ধ কিনা, কিংবা সমাজের মূল্যবোধকে আঘাত করছে কি না। আবার ওই ছবি বা লোগো ছাপা হলে তৃতীয় ব্যক্তিকে কোনওভাবে আঘাত করা হচ্ছে কি না তাও দেখা হয়। এ ধরণের কোনও কিছু ডাক টিকিট হিসেবে ছাপা হয় না। তারপরেও কীভাবে দুই কুখ্যাত ডনের ছবি দিতে ডাক টিকিট বানানো হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।
[আরও পড়ুন : ‘সংস্কার চাষিদের আয় বাড়াবে’, কৃষি আইনের পক্ষেই ফের সওয়াল প্রধানমন্ত্রী মোদির]
সর্বশেষ খবর
-
কৃষ্ণনগরে হস্টেলের শৌচালয়ে খুদে ছাত্রীর দেহ! খুনের অভিযোগ পরিবারের
-
হতশ্রী ফুটবল! এবার তাজিকিস্তানের কাছেও হার খালিদ জামিলের ভারতের
-
‘যা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণাতেই…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারির পর স্বস্তিতে ঋত্বিক!
-
সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী! ১০ জুন নেহরুর রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়বেন মোদি
-
নদিয়ায় ‘পুরুষ অন্নপূর্ণা’র খোঁজ, গ্রামীণ চিকিৎসকের অ্যাকাউন্টে ঢুকল টাকা