সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু আন্ডারওয়ার্ল্ড দল ছোটা রাজনের! এদিন সংবাদমাধ্যমে এমনটাই খবর ছড়ায়। তবে ছোটা রাজনের মৃত্যু সংবাদ ওড়াল এইমস। হাসপাতাল জানিয়েছে, এখন তিনি বেঁচে আছেন। তবে এখনও আইসিইউতে রয়েছেন রাজন। রাজধানী দিল্লির হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
[আরও পড়ুন: ‘অক্সিজেন কম, রোগীকে সরিয়ে নিন’, নোটিস দিয়ে আইনি জটে লখনউয়ের হাসপাতাল]
জানা গিয়েছে, এপ্রিলের ২৬ তারিখ থেকে দিল্লির All India Institute of Medical Services (AIIMS)-এ ভরতি ছিলেন রাজেন্দ্র সদাশিব নিকালজে ওরফে ছোটা রাজন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, করোনা আক্রান্ত হওয়ায় তাঁর একাধিক অঙ্গ কাজ করছে না। চিকিৎসায় আশানুরূপ সাড়া দিচ্ছেন না তিনি। ২০১৫ সালে ইন্দোনেশিয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয় রাজনকে।’ডি-কোম্পানি’র হিট লিস্টে ছিলেন রাজন।একাধিকবার তাঁকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে দাউদ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ঠ তথা অন্যতম সেনাপতি ছোটা শকিল। করাচি থেকে রাজনের নামে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেছিল দাউদ।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে সাংবাদিক জ্যোতির্ময় দে হত্যাকাণ্ডে রাজন-সহ নয় দোষীর যাবজ্জীবন জেলের সাজা শোনায় আদালত। তারপর থেকেই দিল্লির তিহার জেলে রাখা হয়েছিল তাকে।জানা যায়, দাউদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে সাংবাদিক জ্যোতির্ময় দে-র। এমনটাই সন্দেহ করেছিলেন ছোটা রাজন। দাউদের নির্দেশেই তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ লিখতেন জ্যোতির্ময়, বলেই মনে করতে রাজন। এমনকী তাকে খুন করতে ডি-কোম্পানির চক্রান্তে মদত দিচ্ছেন ওই সাংবাদিক বলেও সন্দেহ ছিল রাজনের। ফলে জ্যোতির্ময় দে’কে খতম করার নির্দেশ দেন তিনি। উল্লেখ্য, ক্রাইম জার্নালিস্ট হিসেবে যথেষ্ট নাম ছিল জে দে-র। তাঁর লেখা অন্যতম বিখ্যাত বই হল ‘জিরো ডায়াল’। যে সময় ওই সংবাদিককে হত্যা করা হয়, সেই সময় তিনি ছোটা রাজনকে নিয়েই তাঁর বইটি লিখছিলেন।
[আরও পড়ুন: ‘প্রধানমন্ত্রী কেবল ‘মন কি বাত’ বলে গেলেন, শুনলেন না’, মোদিকে খোঁচা হেমন্ত সোরেনের]
সর্বশেষ খবর
-
বিয়ে করলেই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৫ লাখ! স্রেফ একটা ফর্ম ফিলআপেই কেল্লাফতে, জানুন খুঁটিনাটি
-
নবান্নে সপ্তম পে কমিশনের প্রথম বৈঠক, চালু হচ্ছে ওয়েবসাইট
-
বিদেশে ভারতের বিকৃত মানচিত্র দেখে প্রতিবাদ, বক্সার লভলিনাকে প্রশংসায় ভরালেন প্রধানমন্ত্রী
-
কলম্বিয়ায় ভয়ংকর ভূমিকম্প! রিখটার স্কেলে মাত্রা ৭.৪
-
এনসিপিআই সাংসদের তৃণমূল কার্যালয় ব্যবহারে ‘না’, গড়ফায় সায়নীর পার্টি অফিসে তালা, ঘাড়ধাক্কা সহকারীকে!