Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Union Budget 2026

বিরল খনিজ উৎপাদনে আত্মনির্ভর হবে দেশ! চিনা ‘অস্ত্র’ ভোঁতা নির্মলার বাজেটে

গত নভেম্বরেই ৭২০০ কোটি টাকার বিরল খনিজ প্রকল্পের ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ১৫:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ১৫:৩২

options
link
বিরল খনিজ উৎপাদনে আত্মনির্ভর হবে দেশ! চিনা ‘অস্ত্র’ ভোঁতা নির্মলার বাজেটে zoom
দেশের চার রাজ্যে তৈরি হবে রেয়ার আর্থ করিডর।

রেয়ার আর্থ পার্মানেন্ট ম্যাগনেট তথা বিরল খনিজ উৎপাদনে দেশকে আত্মনির্ভর করার লক্ষ্যে বড় ঘোষণা অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের। দেশের প্রথম মহিলা অর্থমন্ত্রী হিসাবে নবমবার বাজেট (Union Budget 2026) পেশ করার সময় এদিন তিনি ঘোষণা করলেন দেশের চার রাজ্যে তৈরি হবে রেয়ার আর্থ করিডর। এই চার রাজ্যের মধ্যে রয়েছে তামিলনাড়ু, কেরল, ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ।

এদিন এই বিষয়ে বলতে গিয়ে নির্মলা বলেন, ”বিরল খনিজ প্রকল্পটি ২০২৫ সালের নভেম্বরে চালু করা হয়েছিল। আমরা এখন খনিজ সমৃদ্ধ রাজ্য ওড়িশা, কেরালা, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ুকে খনিজ উত্তোলন, প্রক্রিয়াকরণ, গবেষণা এবং উৎপাদনে উৎসাহিত করার জন্য রেয়ার আর্থ করিডর স্থাপন করার প্রস্তাব দিচ্ছি।”
প্রসঙ্গত, গত নভেম্বরেই এই বিষয়ে বড় পদক্ষেপ করেছিল ভারত। ৭২০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পে ছাড়পত্র দেয় কেন্দ্র। এর ফলে চিনা আমদানির উপর নির্ভরতা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে এদিন নির্মলার এমন ঘোষণায় আবারও স্পষ্ট হল।

Advertisement

দেশের প্রথম মহিলা অর্থমন্ত্রী হিসাবে নবমবার বাজেট পেশ করার সময় এদিন তিনি ঘোষণা করলেন দেশের চার রাজ্যে তৈরি হবে রেয়ার আর্থ করিডর। এই চার রাজ্যের মধ্যে রয়েছে তামিলনাড়ু, কেরল, ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ।

উল্লেখ্য, এই খনিজ বৈদ্যুতিক বাহন, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, ইলেকট্রনিক্স, বিমান পরিষেবা, প্রতিরক্ষা ইত্যাদি খাতে ব্যবহৃত হয়। বলে রাখা ভালো, বিরল খনিজ বলতে ১৭টি ধাতুকে বোঝায়, যা স্মার্টফোন থেকে শুরু করে বৈদ্যুতিক যান এবং যুদ্ধবিমান পর্যন্ত সবকিছুর জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিন এই শিল্পে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। বৈশ্বিক খনি উৎপাদনের প্রায় ৬০% এবং পরিশোধিত উৎপাদন ও বিরল খনিজ উৎপাদনের প্রায় ৯০%-এর নেপথ্যে রয়েছে বেজিং।

গত নভেম্বরেই এই বিষয়ে বড় পদক্ষেপ করেছিল ভারত। ৭২০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পে ছাড়পত্র দেয় কেন্দ্র। এর ফলে চিনা আমদানির উপর নির্ভরতা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছিল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.