সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুরু হয়েছে সেমি-হাইস্পি়ড ‘বন্দে ভারত’ ট্রেন পরিষেবা। দেশের উন্নয়নে রেলের গতি যে আরও বাড়াতে হবে তা স্পষ্ট করে দিয়েছে মোদি সরকার। সেই দিশায় পদক্ষেপ করে এবার দেশজুড়ে ১ লক্ষ কিলোমিটার নতুন রেললাইন বিছানোর পরিকল্পনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী ইউনিয়ন বাজেটে তা ঘোষণা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
এক রিপোর্ট মোতাবেক, ২০২৩-২৪ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে দেশজুড়ে ১ লক্ষ কিলোমিটার নতুন রেললাইন পাতার প্রস্তাব পেশ করতে পারে মোদি সরকার। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ২৫ বছরের সময়সীমা ধার্য করা হতে পারে বলে খবর। এরমধ্যে আগামী দু’বছরের মধ্যেই ৪ হাজার কিলোমিটার ট্র্যাক তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু তাই নয়, ২০২৪ অর্থবর্ষের মধ্যে ৭ হাজার কিলোমিটার ব্রডগেজ রেললাইনের বৈদ্যুতিকরণ করার কথা। এর জন্য ১০ হাজার কোটি টাকা ধার্য করা হতে পারে। নতুন লাইন পাততে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ করে ৫০ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে। সবমিলিয়ে, বর্তমান বাজার দরে ১ লক্ষ কিলোমিটার নতুন রেললাইন পাততে খরচ পতে পারে ১৫ থাকে ২০ লক্ষ কোটি টাকা।
[আরও পড়ুন: ভোটারদের অর্ধেকই মহিলা, তবু হিমাচলে মহিলা প্রার্থীদের মধ্যে জয়ী মাত্র একজন]
কেন্দ্রের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হচ্ছে রেলের (Rail) গতি বৃ্দ্ধি করা। এর ফলে যাত্রী ও পণ্য পরিবেষা আরও মসৃণ হবে। গতি আসবে অর্থনীতিতে। বলে রাখা ভাল, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম আট মাসে যাত্রীভাড়া বাবদ রেলের আয় বেড়েছে প্রায় ৭৬%। যে অঙ্ক হল ৪৩ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। আয়ের নিরিখে এই পারর্ফম্যান্স দেখে অনেকেরই বক্তব্য, চলতি বাজেটে আয়ের যে নির্ধারিত মাত্রা ধরা হয়েছিল, তা ছাপিয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, ২০২২-২০২৩ আর্থিক বর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget) রেলমন্ত্রকের জন্য বরাদ্দ হয়েছিল ১,৪০,৩৬৭.১৩ কোটি টাকা। যা আগেরবারের থেকে ২০ হাজার ৩১১ কোটি টাকারও বেশি। পাশাপাশি, দূরে অর্থাৎ প্রান্তিকস্থানে অবস্থিত এলাকাগুলিতে লজিস্টিক্সের সমাধানেও রেল এগিয়ে আসবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলান রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
সেবারের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানিয়েছিলেন, ৩ বছরে ৪০০ টি নতুন বন্দে ভারত ট্রেন কিনবে সরকার। এই ট্রেনগুলি ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে চলতে পারে। এর পাশাপাশি দেশজুড়ে ১০০টি প্রধানমন্ত্রী গতিশক্তি কার্গো টার্মিনাল তৈরি করা হবে। এই কাজটিও আগামী ৩ বছরে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর দাবি, এর ফলে কৃষকরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। অনায়াসে কৃষিপণ্য পৌঁছে দেওয়া যাবে বড় শহরের সুপার মার্কেটে। সার্বিকভাবে স্থানীয় ব্যবসায় উৎসাহ দেবে রেল।
[আরও পড়ুন: কেজরির ‘নরম হিন্দুত্বে’ অখুশি, কংগ্রেসকে ভোট দিল্লির দাঙ্গা অধ্যুষিত এলাকার মুসলিমদের]
সর্বশেষ খবর
-
এবার ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ, ফের জেল হেফাজতে প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার
-
‘ভারত-চিন সম্পর্কে নাক গলাবে না রুশ’, ত্রিকোণ বন্ধুত্বের সমীকরণে স্পষ্ট বার্তা পুতিনের
-
কাটমানি না দিলে বাড়ি নয়, বড়ঞায় গ্রেপ্তার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী-সহ ৪
-
আমেরিকার বিশ্বকাপে শোনা যাবে না ভুভুজেলার শব্দ, নিষেধাজ্ঞা ‘রিইউজেবল’ জলের বোতলেও
-
বাড়িতে অন্ত্যেষ্টির তোড়জোড়, ৫ দিন পর এভারেস্টের ‘ডেথ জোন’ থেকে সশরীরে ফিরলেন শেরপা