Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

জনবিস্ফোরণ রুখতে মন্ত্রীর দাওয়াই নির্বীজকরণ

নোটবন্দির পর নাসবন্দি!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০১৬, ২১:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০১৬, ২১:২২

options
link
জনবিস্ফোরণ রুখতে মন্ত্রীর দাওয়াই নির্বীজকরণ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নোটবন্দির পর নাসবন্দি! বড় নোট বাতিলের পর নির্বীজকরণ৷ কালো টাকার রমরমা রুখতে যেমন প্রধানমন্ত্রী বড় নোট বাতিল করেছেন, তেমনই দেশে জনবিস্ফোরণ রুখতে প্রয়োজন গণ নির্বীজকরণ৷ শনিবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী গিরিরাজ সিং৷

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য, জনবিস্ফোরণ রুখতে ভারতে কড়া জন্মনিয়ন্ত্রণ আইন লাগু করা দরকার৷ তাঁর লোকসভা কেন্দ্র নওয়াদায় দাঁড়িয়ে গিরিরাজ বলেন, “বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৭ শতাংশ মানুষের বাস এ দেশে৷ অথচ বিশ্বে পানীয় জলের মাত্র ৪.২ শতাংশ ও বাসযোগ্য জমির মাত্র ২.৫ শতাংশ ভারতে রয়েছে৷ এই অবস্থায় দেশের উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে জনবিস্ফোরণ৷ এই সমস্যার সমাধানের জন্য আমাদের দরকার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন৷”

Advertisement

চলতি সপ্তাহে গিরিরাজ হলেন দ্বিতীয় বিজেপি নেতা, যিনি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মুখ খুললেন৷ এর আগে আরেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা সঞ্জয় পাসওয়ানও জন্মনিয়ন্ত্রণের পক্ষে জোরাল সওয়াল করেছিলেন৷ গিরিরাজ দাবি করেছেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়াতেও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন লাগু রয়েছে৷ সুতরাং এ দেশেও ওরকম আইন চালু না হওয়ার কোনও কারণ নেই৷ গিরিরাজের মন্তব্যে অবশ্য রাজনৈতিক মহলে সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছে৷ এর আগেও বিজেপির এই মন্ত্রী একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন৷ এর আগে তিনি বলেছিলেন, “হিন্দুদের আরও বেশি করে সন্তানের জন্ম দেওয়া উচিত৷” আরএসএস প্রধান মোহন ভগবতও একই কথা বলেছিলেন৷ ভগবতের সংযোজন, “এমন কোনও আইন নেই যা হিন্দুদের একাধিক সন্তানের জন্ম দেওয়া আটকাতে পারে৷” ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদির বিরোধীদের পাকিস্তানে যাওয়ার পরমার্শ দিয়েছিলেন গিরিরাজ সিং৷

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.