সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে গরিবের সংখ্যা বাড়ছে। সম্পদ মুষ্টিমেয় কিছু ধনী ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। কোনও বিরোধী রাজনৈতিক দল নয়। এমনই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতীন গড়করি। সম্পদের বিকেন্দ্রীকরণের প্রয়োজন বলেও জানান তিনি। স্বামী বিবেকানন্দকে উদ্ধৃত করে বলেন, “খালি পেটে ধর্ম হয় না।”
শনিবার নাগপুরে কৃষি, উৎপাদন, কর এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মতো একাধিক বিষয়ে মত প্রকাশ করেন গড়করি। সেখানেই তিনি বলেন, “ধীরে ধীরে গরিব মানুষের সংখ্যা বাড়ছে এবং সম্পদ কিছু ধনী ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। এটা হওয়া উচিত নয়। আমরা এমন একটি অর্থনৈতিক বিকল্পের দিকে তাকিয়ে আছি যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং অর্থনীতির গতি বাড়াবে। সম্পদের বিকেন্দ্রীকরণের প্রয়োজন রয়েছে এবং সেই দিকে অনেক পরিবর্তন ঘটাতে হবে।”
উদার অর্থনীতি চালুর জন্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমা রাও এবং মনমোহন সিংয়ের প্রশংসা করেন গড়করি। তিনি জিডিপি-খাতভিত্তিক অবদানের ভারসাম্যহীনতার কথা উল্লেখ করেন। বলেন, “উৎপাদন খাত ২২-২৪ শতাংশ, পরিষেবা খাত ৫২-৫৪ শতাংশ অবদান রাখে, অন্যদিকে কৃষিক্ষেত্র, গ্রামীণ জনসংখ্যার ৬৫-৭০ শতাংশকে সম্পৃক্ত করা সত্ত্বেও মাত্র ১২ শতাংশ অবদান রাখে। টোল বুথের মাধ্যমে আমরা প্রায় ৫৫,০০০ কোটি টাকা আয় করি এবং আগামী দু’বছরে তা ১.৪০ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছবে। যদি আগামী ১৫ বছরের জন্য এটি বজায় রাখতে পারি, তা হলে আয় হবে ১২ লক্ষ কোটি টাকা।”
সর্বশেষ খবর
-
অবশেষে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেইর সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প! কথা হবে শান্তিচুক্তি নিয়ে, এবার যুদ্ধ থামবে?
-
ভারতকে চাপ দিলে বিশ্বজুড়ে অশান্তি! মার্কিন শুল্কবাণের মধ্যেই মোদির ‘ঢাল’ পুতিন
-
আচমকা ‘প্রসন্ন’ শরিকরা, বাড়তি দুই রাজ্যসভা আসন প্রাপ্তি কংগ্রেসের! প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপিও
-
লোকসভাতেও ‘আসল তৃণমূল’, দলনেতা হচ্ছেন কাকলি! জল্পনার মাঝে বিস্ফোরক পোস্ট সাংসদের
-
‘সিএবি কর্তা হয়েও সংস্থার গঠনতন্ত্র জানেন না’, কোষাধ্যক্ষকে পাল্টা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার