Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘রক্তমাখা স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে প্রবেশ করলে অপবিত্র হয় মন্দির’

সবরীমালা ইস্যুতে বিতর্কিত মন্তব্য স্মৃতি ইরানির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৮, ২০:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৮, ২০:৩৯

options
link
‘রক্তমাখা স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে প্রবেশ করলে অপবিত্র হয় মন্দির’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  সবরীমালা বিতর্কে ঘি ঢাললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। নিজে একজন মহিলা হয়ে তিনি কীভাবে এমন প্রশ্ন তুললেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সরগরম গোটা দেশের রাজনৈতিক মহল। একদিকে দেশজুড়ে মহিলাদের ক্ষমতায়ন ও উন্নতির কথা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে একজন মহিলা হয়ে ঋতুস্রাবের জন্য সবরীমালায় প্রবেশের বিপক্ষে স্মৃতির মন্তব্য  মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই।

খোদ Paytm মালিকের গোপন নথি চুরি, প্রশ্নে গ্রাহকদের তথ্য নিরাপত্তা ]

Advertisement

সবরীমালা মন্দির নিয়ে এখন জোর জল্পনা চলছে। বিশেষ করে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত রায় দিয়েছে, যে কোনও মহিলা এবার থেকে সবরীমালায় প্রবেশ করতে পারবেন। এতদিন রীতি ছিল ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সি কোনও মহিলা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবে না। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সেই অচলায়তন ভেঙে দিয়েছে। কিন্তু ভক্তকূলকে থামানো যায়নি। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও মন্দিরে মহিলাদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই  এমন অযৌক্তিক নিয়ম মেনে নিতে পারেননি মহিলারা। কিন্তু একজন মহিলা হয়ে স্মৃতি ইরানি কিন্তু দিব্যি গতানুগতিকতার স্রোতে গা ভাসিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরোধিতা করতে পারি না। কারণ আমি মন্ত্রিসভার সদস্য। কিন্তু এটা তো সাধারণ বুদ্ধি। আপনি কি ঋতুস্রোবের রক্তমাখা প্যাড নিয়ে বন্ধুর বাড়ি যান? নিশ্চয়ই না। তাহলে কি মন্দিরে রক্তমাখা প্যাড নিয়ে গেলে শ্রদ্ধা জানানো যায়? আমার শুধু প্রার্থনা করার অধিকার আছে। কিন্তু মন্দিরকে অপবিত্র করার অধিকার নেই।”

সিবিআই বনাম সিবিআই লড়াই এবার আদালতে, আইনের দ্বারস্থ দুই শীর্ষকর্তাই ]

নিজের মন্তব্যের যথার্থতা বোঝাতে গিয়ে আবার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। বলেছেন,  তিনি  ছেলেকে নিয়ে পুজো দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি পাননি। ছেলেকে তিনি পুরোহিতের সঙ্গে মন্দিরের ভিতর পাঠিয়েছিলেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.