Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
উন্নাও

উন্নাও দুর্ঘটনার তদন্ত ২ সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে হবে, সিবিআইকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

চার সপ্তাহ সময় চেয়েছিল সিবিআই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০১৯, ১৯:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০১৯, ১৯:১৫

options
link
উন্নাও দুর্ঘটনার তদন্ত ২ সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে হবে, সিবিআইকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উন্নাওয়ের নির্যাতিতার গাড়ি দুর্ঘটনার তদন্ত দু’সপ্তাহের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই দুর্ঘটনার তদন্ত শেষ করতে চার সপ্তাহ সময় চেয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। কিন্তু, তাদের আবেদন খারিজ করে দিয়ে ১৪ দিনের মধ্যে এই তদন্ত শেষ করতে বলল আদালত। এর পাশাপাশি জুলাইয়ের ২৮ তারিখের ওই দুর্ঘটনার জন্য ধর্ষিতার আইনজীবীকে পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হল উত্তরপ্রদেশ সরকারকে। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: পড়ুয়াদের জাত চিনতে বিভিন্ন রংয়ের রিস্ট ব্যান্ড! বিতর্কে তামিলনাড়ুর একাধিক স্কুল]

গত ২৮ জুলাই বিকেলে রায়বরেলি জেলে বন্দি থাকা কাকাকে দেখতে যাচ্ছিলেন উন্নাওয়ের নির্যাতিতা। গাড়িতে ছিলেন তাঁর মা ও দুই কাকিমা এবং আইনজীবী। রাস্তায় উলটো দিক থেকে আসা একটি ট্রাক সজোরে ধাক্কা মারে তাঁদের গাড়িতে। এর ফলে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তাঁর দুই কাকিমার। গুরুতর জখম হন নির্যাতিতা ও তাঁর আইনজীবী। বর্তমানে তাঁদের দিল্লির এইমস হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। এদিকে এই দুর্ঘটনার পরেই এর তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয় সর্বোচ্চ আদালত। এর পিছনে ষড়যন্ত্র আছে কি না তা খুঁজে দেখার দায়িত্বই দেওয়া হয়েছিল তাদের।

Advertisement

কিন্তু, ধর্ষিতা ও তাঁর আইনজীবী গুরুতর অসুস্থ থাকায় তাঁদের বয়ান রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি বলে জানায় সিবিআই। এর জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়েছিল তারা। কিন্তু, সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে ২ সপ্তাহ সময় দিল আদালত।

[আরও পড়ুন: দেহব্যবসায় বাধ্য করছিল মা, প্রতিবাদ করায় নাবালিকা বোনকে ধর্ষণ দাদার]

গত ২৮ জুলাই গাড়ি দুর্ঘটনার পর উত্তরপ্রদেশের প্রশাসনের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল বিরোধীরা। তাদের অভিযোগ ছিল, বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গার ও তাঁর ভাইকে বাঁচাতেই এই দুর্ঘটনা ঘটানো হয়েছে। প্রমাণ লোপাটের জন্যই এই চেষ্টা। এর আগে নির্যাতিতার বাবাকে খুন করে মামলা হালকা করার চেষ্টা করেছিল অভিযুক্তরা। কিন্তু, তাতে কাজ না হওয়ায় যুবতীটিকেই দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া ছক কষা হয়। এটা তারই ফলশ্রুতি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.