১৩ কার্তিক  ১৪২৭  শুক্রবার ৩০ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

বাথরুমে গোপন ক্যামেরায় ছবি তুলে ৫২ জন শিক্ষিকাকে ব্ল্যাকমেল! চাঞ্চল্য উত্তরপ্রদেশে

Published by: Abhisek Rakshit |    Posted: September 24, 2020 5:09 pm|    Updated: September 24, 2020 5:09 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ স্কুলে মহিলাদের বাথরুমে রাখা গোপন ক্যামেরা। দীর্ঘদিন ধরে সেটির সাহায্যে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে স্কুলের শিক্ষিকাদেরই (School Teachers) একান্ত মুহূর্তের একাধিক ছবি। এদিকে দীর্ঘদিনের বেতন বাকি ছিল প্রত্যেকের। প্রায় সাতমাস স্কুল থেকে এক টাকাও বেতন মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে স্কুলের ম্যানেজমেন্ট কমিটির সেক্রেটারির কাছে সেই টাকা চাইতেই গোপন এবং আপত্তিকর ওই ছবি–ভিডিও দেখিয়ে শিক্ষিকাদের ব্ল্যাকমেল (Blackmail) করার অভিযোগ। ইতিমধ্যে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ৫২ জন শিক্ষিকাই। এই খবর সামনে আসতে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশে।

[আরও পড়ুন: অগ্নিবর্ষণে তৈরি ‘অর্জুন’, ট্যাংক থেকে গাইডেড মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত]

জানা গিয়েছে, ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মেরঠের (Merut) একটি বেসরকারি স্কুলের। নিজেদের অভিযোগে ওই শিক্ষিকারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে মহিলাদের বাথরুমে গোপন ক্যামেরা রাখা ছিল। সেটির সাহায্যেই শিক্ষিকাদের আপত্তিকর ছবি এবং ভিডিও তোলা হয়। সম্প্রতি বকেয়া বেতনের দাবিতে ম্যানেজমেন্টের সেক্রেটারির কাছে গিয়েছিলেন ওই শিক্ষিকারা। তখনই তাঁদের ওই ভিডিও এবং ছবির কথা জানায় অভিযুক্ত সেক্রেটারি। এমনকী বেতন চাইলে সেই ছবি এবং ভিডিও ফাঁস করার কথাও বলে। এরপরই সরাসরি থানায় যান শিক্ষিকারা। তাঁদের অভিযোগ পেয়ে ইতিমধ্যে ওই সেক্রেটারি এবং তার ছেলের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি (IPC) ৫০৪, ৩৫৪ (‌a)‌ এবং ৩৫৪ (c) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: দিল্লি হিংসাতেও আল কায়দার মদত? ধৃত ৯ জঙ্গিকে টানা জেরায় উত্তর খুঁজছে NIA]

যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ মিথ্যে বলে দাবি করেছে ওই ব্যক্তি। তার কথায়, ‘‌‘‌মহিলাদের বাথরুমে কোনও ক্যামেরা নেই। তবে সম্প্রতি পুরুষ বাথরুমে কয়েকটি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। বেশ কয়েকটি স্কুলে খুনের ঘটনা সামনে আসায় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।’‌’‌ তবে বেতন না দেওয়ার কথাটি স্বীকার করে নেয় সে।জানায়, করোনা সংক্রমণের কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্কুল বন্ধ। তাই বেতন দেওয়া হয়নি শিক্ষিকাদের।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement