Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Taiwan

দেওয়াল বেয়ে গগনচুম্বী ইমারতের চূড়ায় ‘স্পাইডারম্যান’, তাইওয়ানে বিশ্বরেকর্ড মার্কিন যুবকের

১০১তলা এই ভবন মোট ৮টি ভাগে বিভক্ত। ভয়ংকর এই অভিযানের সবচেয়ে বিপজ্জনক অংশ ছিল ভবনের ৬৪তম তলা। অকুতোভয় যুবকের দুঃসাহসিক অভিযান দেখতে নিচে ভিড় জমান হাজার হাজার মানুষ। ওটিটি প্ল্যার্টফর্ম নেটফ্লিক্সে সরাসরি তা সম্প্রচারও হচ্ছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৮:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৮:৩৪

options
link
দেওয়াল বেয়ে গগনচুম্বী ইমারতের চূড়ায় ‘স্পাইডারম্যান’, তাইওয়ানে বিশ্বরেকর্ড মার্কিন যুবকের zoom
'তাইপেই ১০১' অভিযানে অ্যালেক্স।

যেন কোনও সিনেমার স্টান্ট। অসীম ধৈর্য ও শারীরিক দক্ষতার ভয়ংকর পরীক্ষা। সামান্য ভুল হলেই নিশ্চিত মৃত্যু। তবে পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন মার্কিন রক ক্লাইম্বার অ্যালেক্স হোনোল্ড। কোনও পাহাড় নয়, জয় করলেন তাইওয়ানের গগনচুম্বী ইমারত ‘তাইপেই ১০১’। কংক্রিটের দেওয়াল বেয়ে ১৬৬৭ ফুট (৫০৮ মিটার) উচ্চতার এই বহুতলের চূড়ায় উঠলেন তিনি।

নিচে দাঁড়িয়ে দুঃসাহসিক অভিযান দেখছেন তাইওয়ানের জনতা।

তাইওয়ানের রাজধানী তাইপের সবচেয়ে উঁচু ইমারত এই ‘তাইপেই ১০১’। রবিবার সকালে এই ইমারতের সামনে ভেঙে পড়েছিল ভিড়। সকলের নজর ছিল লাল টি-শার্ট ও কালো ট্রাউজার পরা এক যুবকের দিকে। কোনওরকম সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই খালিহাতে এই ইমারত জয় করতে নেমেছিলেন তিনি। রবিবার সকালে ইমারতের এক কর্নার বেছে নিয়ে সেখান থেকে ওঠা শুরু করেন তিনি। অকুতোভয় এই যুবকের দুঃসাহসিক অভিযান দেখতে নিচে ভিড় জমান হাজার হাজার মানুষ। ওটিটি প্ল্যার্টফর্ম নেটফ্লিক্সে সরাসরি তা সম্প্রচারও হচ্ছিল।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ১০১তলা এই ভবন মোট ৮টি ভাগে বিভক্ত। ভয়ংকর এই অভিযানের সবচেয়ে বিপজ্জনক অংশ ছিল ভবনের ৬৪তম তলা। সেই অংশ পার করার পর কিছুটা বিরতি নিয়ে একবার দর্শকদের দিকে ফেরেন অ্যালেক্স। সেই মুহূর্তে জনতার তুমুল হর্ষধ্বনি শোনা যায় জনতার। অ্যালেক্সকে উৎসাহ দিতে থাকেন সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষ। ১ঘন্টা ৩১ মিনিটের দুঃসাহসিক এই অভিযান শেষে ভবনের চূড়ায় উঠে জয়ের সাফল্য উদযাপন করেন তিনি।

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অ্যালেক্স বলেন, “অবিশ্বাস্য এক সুন্দর দিন। উপরে ভীষণ জোরে বাতাস বইছিল, নিজেকে বলছিলাম চূড়া থেকে পড়ে গেলে চলবে না। পুরো সফরে সুন্দরভাবে ভারসাম্য বজায় রেখেছিলাম। সবমিলিয়ে এক অসাধারণ সাফল্য। তাইপেইকে দেখার জন্য এটা একটা সুন্দর জায়গা।”

১০১ তলা মাঝামাঝি অংশে আসার পর ক্ষণিকের বিশ্রাম।

যদিও অ্যালেক্স এই উঁচু ইমারতে ওঠা প্রথম ব্যক্তি নন, এঁর আগে ফরাসি পর্বতারোহী অ্যালাইন রবার্ট ২০০৪ সালে এই ইমারতের শিখরে উঠেছিলেন। তখন এটাই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ইমারত। যদিও এই ইমারতে চড়তে দড়ির সাহায্য নিয়েছিলেন রবার্ট। এবার খালি হাতে কোনও সুরক্ষা ছাড়া ‘তাইপেই ১০১’ জয় করে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন অ্যালেক্স হোনোল্ড।

অভিযানের মাঝেই দর্শকদের দিকে ফিরে সাফল্য উদযাপন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.