Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
China

চিনের সঙ্গে সংঘাতের আবহে ডোভালকে ফোন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২১, ১০:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২১, ১০:৪৩

options
link
চিনের সঙ্গে সংঘাতের আবহে ডোভালকে ফোন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনের সঙ্গে সংঘাতের আবহে ফের ভারতের পাশে দাঁড়াল আমেরিকা (America)। বৃহস্পতিবার, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালকে ফোন করলেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান। প্রেসিডেন্ট জো বিডেনের হয়ে সম্পর্ক আরও মজবুত করার বার্তা দিয়েছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: করোনামুক্তির পথে দেশ! ১৪৭ জেলায় গত এক সপ্তাহে হদিশ মেলেনি নতুন আক্রান্তের]

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ডোভালের (Ajit Doval) সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ ফোনে আলোচনা হয় সুলিভানের। প্রতিরক্ষা থেকে করোনা মোকাবিলা-সহ একাধিক বিষয়ে কথা হয় দু’জনের মধ্যে। ভারত-আমেরিকার মধ্যে সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও মজবুত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রেসিডেন্ট বিডেন বলে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে বার্তা দেন সুলিভান। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিয়ে দুই দেশের বিশ্বাসের বিষয়টিও উঠে আসে আলোচনায়। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, দুই দেশের দুঁদে আমলাদের মধ্যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। বিশ্লেষকদের মতে, ওই অঞ্চলে চিনের প্রভাব খর্ব করতে নয়াদিল্লিকে পাশে চাইছে ওয়াশিংটন। পাশাপাশি, লাদাখে চিনা আগ্রাসনের মুখে ভারতের পাশে থাকার বার্তাও দিল আমেরিকা।

উল্লেখ্য, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল বলতে ভারত, বাংলাদেশ, ভুটান, কম্বোডিয়া, ফিজি, লাওস, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, মালয়েশিয়াম, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা-সহ ২৪টি দেশ বোঝায়। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারত সফরে এসে মার্কিন ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির প্রধান স্তম্ভ ভারত বলে উল্লেখ করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিনকে নজরে রেখে এই অঞ্চলে আমেরিকাও তৎপর। জাপান ও রাশিয়াকে সঙ্গে নিয়ে একটি অক্ষ গড়তে তৎপর হয়েছে নয়াদিল্লিও। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে ওই অঞ্চলে চিনা আগ্রাসন রুখে দিয়ে বাণিজ্যিক ও সামরিক নিরাপত্তা বজায় রাখা।

[আরও পড়ুন: ভারতের মাটি ছুঁল আরও ৩টি রাফালে যুদ্ধবিমান, চিন্তার ভাঁজ শত্রুদের কপালে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.