৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

জামিয়ার অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রী সফুরার জামিনের পক্ষে সওয়াল মার্কিন আইনজীবী সংগঠনের

Published by: Paramita Paul |    Posted: June 14, 2020 1:58 pm|    Updated: June 14, 2020 4:05 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বারবার আবেদন করেও সুরাহা হয়নি। আদালতে খারিজ হয়েছে জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীর জামিনের আবেদন। এবার সেই সফুরা জারগারের জামিনের জন্য সওয়াল করল মার্কিন আইনজীবী সংগঠন। তাঁদের কথায়, সফুরাকে জেলবন্দি করে রাখা আন্তর্জাতিক আইন-বিরোধী কাজ। প্রসঙ্গত, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে এপ্রিল মাসে জাফরাবাদ মেট্রো স্টেশনের সামনের রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখানো ও দিল্লি হিংসায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।

[আরও পড়ুন : কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে মদ খেয়ে আসার জের! পরিযায়ী শ্রমিককে মারধর করলেন আধিকারিক]

সফুরা জারগারের জামিনের আরজি জানাল মার্কিন আইনজীবী সংগঠন ‘দ্য আমেরিকান বার অ্যাসোসিয়েশন সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস’। বিবৃতিতে তাঁরা জানিয়েছে, সফুরাকে জেলে বন্দি করে রাখা আন্তর্জাতিক আইন-বিরোধী কাজ। মার্কিন আইনজীবী সংগঠনটির দাবি, ভারত বহু আন্তর্জাতিক আইনি চুক্তির অংশ। সেই সব চুক্তি অনুযায়ী, খুব কম ক্ষেত্রেই অভিযুক্তকে বিচারের আগে বন্দি করা যায়। সফুরার ক্ষেত্রে সেই সমস্ত ক্ষেত্র প্রযোজ্য নয়, বলেই মত তাঁদের। সংগঠনটির আরও দাবি, সফুরা বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। জেলে করোনা সংক্রমণের ভয় রয়েছে। করোনা আবহে বহু বন্দিকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টও অনুমতি দিয়েছে। সেই একইভাবে সফুরাকেও মুক্তি দেওয়া যেতে পারে। মার্কিন আইনজীবীদের দাবি, সফুরা জামিন পেলে কী ক্ষতি করতে পারেন, সরকার তা জানাতে পারেনি। এমনকী, সফুরার বিরুদ্ধে প্রমাণেরও অভাব রয়েছে। তাই এখনই সফুরাকে মুক্তি দেওয়ার আরজি জানিয়েছে ওই সংগঠন।

[আরও পড়ুন : পুরীর রথে টান দেবে হাতি! স্বাস্থ্যবিধি মানতে প্রশাসনের কাছে প্রস্তাব পেশ]

সফুরা এই মুহূর্তে ২১ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এবং পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিসওর্ডারেও ভুগছেন। আর তাই মানবিকতার ভিত্তিতেই জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু তৃতীয়বারও জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। আবেদন খারিজ করাকালীন বিচারক ধর্মেন্দ্র রানার মন্তব্য, “নিজে আগুন নিয়ে খেলা করে বাতাসকে কখনও দোষ দিতে পারেন না, দাবানল ছড়ানোর জন্য…।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement