৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দু’দিন আগেই উত্তরপ্রদেশ বার কাউন্সিল সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন দরবেশ সিং। প্রথম মহিলা বার কাউন্সিল সভাপতিকে বুধবার আগ্রা আদালতে সংবর্ধনা দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এসেওছিলেন তিনি। সেখানেই আততায়ীর গুলিতে মৃত্যু হল তাঁর। দরবেশ সিংকে খুনের পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে আততায়ী। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সেও একজন আইনজীবী এবং দরবেশের পূর্ব পরিচিত। তবে কী কারণে খুন, তা জানা যায়নি।

বুধবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের কথা ছিল৷ তার আগেই আগ্রা কোর্টে হাজির হন দরবেশ। অনুষ্ঠান শুরুর কিছু আগেই আততায়ী বন্দুক বের করে দরবেশকে লক্ষ্য করে পরপর তিনটি গুলি ছোড়ে। রক্তাক্ত অবস্থায় সেখানেই মাটিতেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। দরবেশের মৃত্যুর পর আততায়ী নিজের দিকে বন্দুক তাক করে গুলি করে। হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তার। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা সঙ্কটজনক। আদালত চত্বরে হঠাৎ গুলির শব্দে চারিদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ে সবাই এদিক ওদিক ছুটতে শুরু করে। আসে পুলিশ। দরবেশের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

হামলাকারীকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পুলিশ জানায়, আততায়ী নিজেও একজন আইনজীবী। নাম মণীশ শর্মা। আগ্রার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রবীণ বর্মা বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মণীশের সঙ্গে দরবেশের পূর্ব পরিচয়ের প্রমাণ মিলেছে। যে বন্দুক দিয়ে খুন করা হয়েছে তার লাইসেন্স রয়েছে মণীশের নামে। ঘটনাস্থল থেকে বন্দুকটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। তবে কী কারণে খুন তা স্পষ্ট নয়। তদন্ত শুরু হয়েছে৷পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলের একজিকিউটিভ চেয়ারম্যান শ্যামল ঘটক জানান, তাঁরা ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত ও খুনিদের যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি গ্রেফতারির দাবি করেছেন। অল ইন্ডিয়া বার কাউন্সিলের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁরা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং