সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ বা আরএসএসের জন্যই জম্মু-কাশ্মীর, পাঞ্জাব এবং পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ। না হলে এগুলি পাকিস্তানের অংশ হয়ে যেত। কয়েকদিন আগে একথা বলে বিতর্কে তৈরি করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এই প্রসঙ্গে এবার আদিত্যনাথের পাশে দাঁড়াল বিজেপি। জানাল এটা কারওর ব্যক্তিগত মত নয়, সবার আবেগের প্রতিধ্বনি।
[ছাড়া পেলেন সুদীপ, বিকেলেই কলকাতায় ফিরতে পারেন সাংসদ]
সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিজেপি নেত্রী শাইনা এনসি বলেন, ‘আদিত্যনাথ যে কথাটি বলেছে, সেটা সবার আবেগের বহিঃপ্রকাশ। আরএসএস শুধু দেশ নয় গোটা বিশ্বের সর্ববৃহৎ সংগঠন, যারা অখণ্ড ভারতে বিশ্বাসী। যেখানে সবাই একসঙ্গে থাকে এবং একে-অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’ এর সঙ্গেই তিনি যোগ করেন, ‘ভারত এমন একটি দেশ যেখানে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য দেখা যায়। সেটা পশ্চিমবঙ্গ বা পাঞ্জাব হোক কিংবা জম্মু-কাশ্মীরই হোক, যেখানে একসঙ্গে বহু ধর্ম, বহু সংস্কৃতির মানুষ বাস করেন। ভারতের সবচেয়ে সুন্দর দিক হল, আমরা সবাই এক।’
[নিজস্ব পৃথক ‘এয়ার ফোর্স’ চায় সেনাবাহিনী]
প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর ওই বক্তব্যের পর থেকেই সরব বিরোধীরা। মূলত বিরোধীদের মুখ বন্ধ করতেই বিজেপির তরফ থেকে এই বিবৃতি বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ‘গরু, গঙ্গা এবং গোরক্ষক’ এই তিনটি বিষয়েই আদিত্যনাথ প্রশাসন বেশি মনোনিবেশ করছে, ভারতের স্বাধীনতার সঙ্গে যে জিনিসগুলির কোনও সম্পর্ক নেই। বিরোধীদের এই ধরণের মন্তব্যের পরেই আদিত্যনাথ বলেছিলেন, ‘যদি আরএসএস এবং ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকতেন তাহলে পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব এবং কাশ্মীর বলে কিছুই ভারতে থাকত না। সব পাকিস্তানের অধীনে থাকত।’ পাশাপাশি আরও বলেন, আরএসএস বিশ্বে এমন একটি সংগঠন যারা সরকারের কাছ থেকে কোনও সাহায্য চায় না। স্বার্থহীনভাবে স্বয়ংসেবক এবং প্রচারকরা দেশ এবং সংস্কৃতির জন্য কাজ করে যায়।
[‘আন্তর্জাতিক আদালতে পাকিস্তান কিন্তু হারেনি’]
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন