Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Uttar Pradesh

শ্যালিকাকে ধর্ষণ-খুনের সুপারি দিতে ৪০ হাজার টাকা ধার! উত্তরপ্রদেশে ধৃত ব্যক্তি

শ্যালিকার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছিল অভিযুক্ত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৫, ১৮:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৫, ১৮:১৬

options
link
শ্যালিকাকে ধর্ষণ-খুনের সুপারি দিতে ৪০ হাজার টাকা ধার! উত্তরপ্রদেশে ধৃত ব্যক্তি zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শ্যালিকাকে খুন করতে ধার করে সুপারি দিয়েছিল অভিযুক্ত! উত্তরপ্রদেশের তরুণীকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, খুন করার সুপারি দেওয়ার জন্য ৩০ হাজার টাকা প্রয়োজন ছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তি ৪০ হাজার টাকা ধার করে সুপারি দিয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মিরাটে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তরুণীর নাম প্রিয়াঙ্কা। বয়স ২১ বছর। বছর চারেক আগে তাঁর দিদির সঙ্গে বিয়ে হয় আশিস সিংয়ের। তবে বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন প্রিয়াঙ্কা ও আশিস। জানা গিয়েছে, আশিস প্রিয়াঙ্কাকে বিয়ে করতে চাইতেন। কিন্তু জামাইবাবুর প্রস্তাবে প্রিয়াঙ্কা রাজি হননি। তারপর থেকেই শ্যালিকাকে খুনের ছক কষতে থাকে আশিস।

Advertisement

গত ২১ জানুয়ারি প্রিয়াঙ্কা জামাইবাবুর সঙ্গে ঘুরতে বেরন। রাত হয়ে গেলেও তিনি ফিরে না এলে খোঁজখবর শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। তরুণীর বাবা জামাইকে জিজ্ঞাসা করেন প্রিয়াঙ্কা কোথায়। সেই সময় তরুণীর বাবাকে এক ব্যক্তি জানান, তিনি প্রিয়াঙ্কাকে আশিস-সহ আরও দুজন ব্যক্তির সঙ্গে দেখেছেন। এরপরই ২৩ জানুয়ারি থানায় অভিযোগ জানান প্রিয়াঙ্কার বাবা ঋষিপাল সিং।

তদন্তে নেমে প্রথমে আশিসকে আটক করে পুলিশ। জেরায় আশিস স্বীকার করেছেন তিনি শ্যালিকাকে খুন করে দেহ সারদানা খালের কাছে পুড়িয়ে দিয়েছেন। পুলিশ আধিকারিকরা আরও জানান, আশিস ছাড়াও শুভম এবং দীপক নামে দুই ব্যক্তি এই ঘটনায় অভিযুক্ত। প্রিয়াঙ্কাকে খুন করার জন্য ওই দুজন ৩০ হাজার টাকার সুপারি চায়। সেজন্য ব্যাঙ্ক থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ নেয় আশিস। প্রথমে ১০ হাজার, কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পরে বাকি ২০ হাজার- এই শর্তে রফা হয়। তারপর প্রিয়াঙ্কাকে বাড়ি থেকে দূরে নিয়ে গিয়ে তিনজন মিলে ধর্ষণ করে। তারপর গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করা হয় প্রিয়াঙ্কাকে। প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহ পুড়িয়েও দেওয়া হয়। তবে আশেপাশে পড়ে থাকা পোশাকের অংশ থেকে দেহ শনাক্ত করেন তরুণীর পরিবার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.