২৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিরোধী দলের প্রবল চাপে শেষ পর্যন্ত মাথা নত করল কেন্দ্র। রাজ্যসভায় মার্শালদের নয়া পোশাক পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দিলেন চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নায়ডু। সোমবার, সংসদে শীতকালীন অধিবেশন শুরু হতেই নয়া পোশাকে দেখা গিয়েছিল মার্শালদের। তা নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক।

রাজ্যসভার ২৫০তম অধিবেশন উপলক্ষে গতকাল প্রথম সামনে আসে মার্শালদের নয়া পোশাক। পুরনো গলাবন্ধ ও মাথায় পাগড়ির জায়গা নেয় নেভি ব্লু পোশাক। তার সঙ্গে সেনাবাহিনীর মতো মাথায় ‘পিক ক্যাপ’ এবং কাঁধে স্ট্রাইপস। বাঁ দিকে সোনালি দড়ি। সব মিলিয়ে সামরিক বাহিনীর উর্দির ধাঁচেই মার্শালদের নতুন ইউনিফর্ম তৈরি হয়েছে। তবে এই বদলে খুশি নয় বিরোধীরা। তাদের দাবি, সরকারের ‘সেনাপ্রীতি’ এবার সংসদে এসে পৌঁছেছে। এবার মার্শালদের পোশাক নিয়েও রাজনীতি করা হচ্ছে। কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ জয়রাম রমেশ কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “এবার কি মার্শাল ল চালু হল নাকি।” সেনার অবসরপ্রাপ্ত অধিকারিকরাও এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সামরিক বাহিনী ছাড়া তাঁদের মতো পোশাক পরা বেআইনি এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সমস্যাজনক বলে অনেকেই মত প্রকাশ করেন।

লোকসভায় মার্শালরা শৃঙ্খলারক্ষার কাজ করেন। নিয়ম ভাঙা বা অবাঞ্ছিত পরিস্থিতি তৈরি করলে সদস্যদের সরিয়ে দেওয়াই প্রধান কাজ মার্শালদের। তবে রাজ্যসভায় মার্শালদের কাজ অনেকটাই আনুষ্ঠানিক। অধিবেশনের শুরুতে তাঁদের চেয়ারম্যান বা প্রিসাইডিং অফিসারের সামনে মার্চ করতে হয়। তাঁদের কাছে নথিপত্র পৌঁছে দিয়ে বা সেগুলি সরাতে বা সাজানোর ক্ষেত্রে সহায়তা করেন এই মার্শালরা। সংসদের নিরাপত্তাকর্মী ও ওয়ার্ডকর্মীদের থেকে পৃথক পরিচয় প্রদান করতেই রাজ্যসভায় মার্শালদের ইউনিফর্ম পরিবর্তনের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে সরকারএর তরফে জানানো হয়েছে।

[আরও পড়ুন: দেশরক্ষায় গিয়ে মৃত্যু, সিয়াচেনের তুষার ধসে প্রাণ হারালেন চার জওয়ান-সহ ৬]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং