Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
প্রয়াত রাম জেঠমালানি

প্রয়াত বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাম জেঠমালানি

শোকের ছায়া আইনজীবী মহলে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৯, ০৯:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৯, ০৯:৪২

options
link
প্রয়াত বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাম জেঠমালানি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাম জেঠমালানি প্রয়াত। রবিবার সকালে দিল্লির বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। গত প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন জেঠমালানি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে আইনজীবী তথা রাজনৈতিক মহলে।

[আরও পড়ুন: ‘বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগের আপ্রাণ চেষ্টা চলছে’, হাল ছাড়েননি ইসরো চেয়ারম্যান]

দেশের সবচেয়ে নামী উকিলদের মধ্যে একজন ছিলেন জেঠমালানি। তাঁর জন্ম হয় ১৯২৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর অধুনা পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের শিখারপুর এলাকায়। আইনজীবী হিসেবে সুদীর্ঘ কেরিয়ারে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলা লড়েছেন জেঠমালানি। জেলা জজের আদালত থেকে শুরু করে হাই কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে একাধিক আলোড়ন সৃষ্টিকারী মামলায় আইনজীবী ছিলেন জেঠমালানি। প্রথম বড় মামলা তিনি পান ১৯৫৯ সালে। মহারাষ্ট্র সরকারের বিরুদ্ধে কে এমকে নানাবতীর হয়ে মামলা লড়েন জেঠমালানি। সেই মামলা দীর্ঘদিন সংবাদের শিরোনামে ছিল। কেরিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলির মধ্যে রয়েছে, রাজীব গান্ধীর হত্যাকারীদের পক্ষে দাঁড়ানো। স্টক এক্সচেঞ্জ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হার্শদ মেহতা এবং কেতন পারেখের হয়ে মামলা লড়েন জেঠমালানি। আফজল গুরুর ফাঁসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও লড়াই করেন।জেসিকা লাল হত্যা মামলাতেও আইনজীবী ছিলেন। আইনজীবী মহলে বিশেষ সমাদৃত জেঠমালানি ২০১০ সালে সুপ্রিম কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।

[আরও পড়ুন: জাত তুলে অপমানের জের, উত্তরপ্রদেশে আত্মঘাতী গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক]

আইনজীবী হওয়ার পাশাপাশি একটি রাজনৈতিক পরিচয়ও রয়েছে জেঠমালানির। তিনি বিজেপি ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত। একসময় সক্রিয় রাজনীতিও করেছেন। ষষ্ঠ ও সপ্তম লোকসভায় মুম্বই থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন জেঠমালানি। বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় আইন মন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছেন। শেষদিকে অবশ্য বাজপেয়ীর বিরাগভাজন হন জেঠমালানি। ২০০৫ সালে বাজপেয়ীর বিরুদ্ধে লখনউ থেকে নির্বাচনও লড়েন তিনি। ইদানিং বেশ কিছু ইস্যুতে মোদি সরকারের সমালোচনাও শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। জেঠমালানির প্রয়াণে শোকস্তব্ধ আইনজীবী থেকে রাজনৈতিক মহল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.