সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আটজন পুলিশ কর্মীকে ঝাঁজরা করে আস্তানা ছেড়ে পালিয়েছিল সে। ‘গুরু’ খতম হয়েছে, ‘ভাবিজি’ও জেলবন্দী। তাই সে আর কোনও ঝুঁকি নিয়ে চায়নি। পা বাড়িয়েছিল মহারাষ্ট্রের পথে। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। থানের কোলসেট রোড থেকে বিকাশের আরও এক সাগরেদ অরবিন্দ রামবিলাস তিওয়ারিকে গ্রেপ্তার করল মহারাষ্ট্র পুলিশের সন্ত্রাস দমন শাকা বা এটিএস। অরবিন্দ অপরাধ জগতে ‘গুড্ডা’ নামেই বেশি পরিচিত।
বিকাশ দুবের খাস সাগরেদ হিসেবে পরিচিত ছিল গুড্ডা। ২০০১ সালে কানপুরের পুলিশ স্টেশনে ঢুকে মন্ত্রী সন্তোষ তিওয়ারিকে খুন করেছিল বিকাশ এন্ড কোং। সেই দলে ছিল গুড্ডাও। বিকাশের বিরুদ্ধে যে ৬০টি মামলা রয়েছে তার অধিকাংশরই সঙ্গী ছিল গুড্ডা। এমনকী, আটজন পুলিশ কর্মীকে হত্যার ঘটনায়ও জড়িয়েছিল সে। তাকেও হন্যে হয়ে খুঁজছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশও। কিন্তু তার টিকিও ছুঁতে পারেনি তারা।
[আরও পড়ুন : বিকাশ দুবে এনকাউন্টার: গরুর পালকে পাশ কাটাতে গিয়ে উলটে যায় গাড়ি, STF’এর দাবিতে বিতর্ক]
এদিকে বিকাশের গ্রেপ্তারির খবর পেতেই সে আর দেরি করেনি। গাড়ির চালককে নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিল মহারাষ্ট্র্রেকর উদ্দেশ্যে। কিন্তু ওই কথায় কথায় আছে, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। গুড্ডার গতিবিধির খবর পেয়েছিল মহারাষ্ট্র পুলিশের এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট দয়া নায়েক। তিনিই কোলসেট রোড থেকে চালক সহ গুড্ডাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ প্রসঙ্গে, মহারাষ্ট্র এটিএস জানায়, ২০০১ সালে উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী সন্তোষ নায়েককে খুনে অভিযুক্ত ছিল অরবিন্দ রামবিলাস তিওয়ারি। তার গ্রেপ্তারির উপরও পুরষ্কার ঘোষণা করেছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।
[আরও পড়ুন : ঘরে-বাইরে সমান দাপট ‘ভাবিজি’র, অনলাইনে বিকাশের সাম্রাজ্য চলত স্ত্রীর ইশারায়]
সর্বশেষ খবর
-
‘বন্ধ হওয়া সিঙ্গল স্ক্রিনগুলি খুলুক’, বাংলা সিনেমার স্বার্থে বিজেপি সরকারকে আর্জি যিশুর
-
দাউদাউ আগুনে জ্বলে উঠল বৃদ্ধাশ্রম, মৃত্যু ১১ জনের!
-
কলকাতা বন্দরে দেশবিরোধীদের মদত তৃণমূল মাফিয়াদের! গোয়েন্দা নজরদারির পথে রাজ্য সরকার
-
পুরনো ফোন বিক্রি করলে তথ্য বেহাত হবে না তো? এই সহজ পদ্ধতিতে থাকুন নিরাপদ
-
পরিবহণ বিপ্লব শুভেন্দুর, কলকাতায় প্রথম ওয়াটার মেট্রো, সাগরমালায় জুড়ল বাংলা