Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

সুপ্রিম রায়ই সার, ফের ফোনে তিন তালাক বধূকে

তবু তিন তালাক বিলের বিরোধিতায় মৌলবিরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০১৭, ১৫:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০১৭, ১৫:৫৩

options
link
সুপ্রিম রায়ই সার, ফের ফোনে তিন তালাক বধূকে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিন তালাক বিলের ক্রমাগত বিরোধিতা করে চলেছেন মৌলবিরা। বিল প্রত্যাহারের দাবিও করেছে মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড। অথচ এই বিল যে কতটা জরুরি তা ফের সাম্প্রতিক ঘটনায় প্রমাণিত হচ্ছে। এবার হায়দরাবাদের এক মুসলিম বধূকে তিন তালাক দেওয়া হল ফোনে। বিচার চেয়ে বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের দ্বারস্থ হযেছেন ওই মহিলা।

[ খুলে নেওয়া হয়েছিল কুলভূষণের স্ত্রীর মঙ্গলসূত্র, ফেরত দেওয়া হয়নি জুতোও ]

Advertisement

অভিযোগ ঘসিয়া বেগমের। তিনি জানাচ্ছেন,  ওমানের বাসিন্দা সৈয়দ জাহরান হামিদ আলি রাঝি নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। ২০০৮ সালে বিয়ের পর থেকে সব ঠিকঠাকই ছিল। প্রতিবছরই হায়দরাবাদে এসে স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে যেতেন ওই ব্যক্তি। ওমানে ফিরে গিয়েও নিয়মিত টাকা পাঠাতেন। কিন্তু এ বছরের শুরু থেকেই গোলমাল বাধে। টাকা পাঠানো অনিয়মিত হয়ে পড়ে। মহিলার অভিযোগ, চলতি বছরের আগস্টে ফোন করে তাঁকে তালাক দেন ওই ব্যক্তি। শরিয়তি আইন মেনে কোনওরকম নোটিস ছাড়াই তাঁকে তালাক দিয়ে দেওয়া হয়। যে প্রক্রিয়াকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

[ অ্যাম্বুল্যান্সে গেল মদ, রাশিয়ান সুন্দরীদের তালে নাচলেন ডাক্তাররা! ]

পুরো বিষয়টিতে বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। ওমানের ওই বাসিন্দা সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার আরজি জানিয়েছেন ঘসিয়া। এছাড়া তালাকের পর যে আর্থিক সাহায্য করা হয়, তাও দাবি করেছেন তিনি। এই সুপ্রিম রায়ের পরও একাধিক তিন তালাকের ঘটনা সামনে এল। এমনকী তিন তালাক রদে মোদির প্রচেষ্টাকে কুর্নিশ জানিয়ে একটি সভার আয়োজন হয়েছিল। সেখানে হাজির থাকার কারণেও এক মহিলাকে তালাক দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল।

এদিকে সংসদে প্রস্তাবিত তিন তালাক বিলের ক্রমাগত বিরোধিতা করে চলেছেন মৌলবিরা। তাঁদের দাবি, এই আইন যদি প্রণয়ন করতে হয় তবে ইসলামিক ধর্মগুরুদের সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন ছিল প্রশাসনের। কিন্তু এক্ষেত্রে তা করা হয়নি। ফলে পুরো প্রক্রিয়াকে শরিয়তি আইনে হস্তক্ষেপ হিসেবেই ধরছেন তাঁরা। সংসদের উভয় কক্ষেই এই বিল পেশ করা হয়েছে। একাধিক রাজ্য সে বিলে সমর্থন জানিয়েছে। সেই আবহেই জরুরি বৈঠকে বসে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড। বৈঠক শেষে সংগঠনের তরফে জানানো হয়, এই বিল অগণতান্ত্রিক। প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই বিল প্রত্যাহারের আরজি জানানো হয়েছে। কিন্তু বিল থেকে আইনে পরিণত না হলে মুসলিম মহিলারা যে একই ঘটনার শিকার হবেন, তা ফের প্রমাণিত হচ্ছে।

জন্মদিনে ‘হ্যান্ডসাম’ রাহুলকে দেখার সাধ ছিল ১০৭ বছরের অনুরাগীর ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.