Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Visakhapatnam

অনলাইনে ছুরি অর্ডার, প্রেমিকাকে খুন করে দেহাংশ ফ্রিজে রাখল নৌসেনা কর্মী!

শ্রদ্ধা কাণ্ডের ছায়া এবার বিশাখাপত্তনমে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৬, ১২:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৬, ১২:০৭

options
link
অনলাইনে ছুরি অর্ডার, প্রেমিকাকে খুন করে দেহাংশ ফ্রিজে রাখল নৌসেনা কর্মী! zoom
পুলিশের কাছে নিজের অপরাধ কবুল করেছে ওই যুবক।

প্রেমিকা শ্রদ্ধাকে ৩৫ টুকরো করেছিল তাঁর প্রেমিক আফতাব আমিন পুনাওয়ালা। সেই কাণ্ডে শিউরে উঠেছিল দেশ। এবার সেই কাণ্ডের ছায়া বিশাখাপত্তনমের (Visakhapatnam)। ৩০ বছরের এক নৌসেনা কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হল বান্ধবীকে খুন করে দেহ তিন টুকরো করার ভয়ানক অভিযোগে। অভিযুক্ত একটি দেহাংশ ফ্রিজে রেখে প্রেমিকার মাথা পুড়িয়ে দেয় বলে দাবি তদন্তকারীদের। জানা যাচ্ছে, পুলিশের কাছে নিজের অপরাধ কবুল করেছে ওই যুবক।

পুলিশের দাবি, নৌসেনার প্রযুক্তি কর্মী চিন্তাদা রবীন্দ্র বিবাহিত। কয়েকদিন আগেই সে সন্তানের বাবাও হয়েছে। বিশাখাপত্তনমে তার ফ্ল্যাটে একাই ছিল সে। তার স্ত্রী-সন্তান শ্বশুরবাড়িতে। এই অবস্থায় সে তার প্রেমিকা মৌনিকাকে নিজের ফ্ল্যাটে ডেকে পাঠায়। এরপরই সম্ভবত কোনও কারণে দু’জনের মধ্যে বচসা তুঙ্গে ওঠে। যার জেরে শেষপর্যন্ত মৌনিকাকে খুন করে রবীন্দ্র। তারপর তার দেহ তিন টুকরো করে ফেলে সে।

Advertisement

৩০ বছরের এক নৌসেনা কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হল বান্ধবীকে খুন করে দেহ তিন টুকরো করার ভয়ানক অভিযোগে। অভিযুক্ত একটি দেহাংশ ফ্রিজে রেখে প্রেমিকার মাথা পুড়িয়ে দেয় বলে দাবি তদন্তকারীদের।

পুলিশের আরও দাবি, রবীন্দ্র এই কাণ্ড মাথাগরম করে করেনি। বরং সম্ভবত ঠান্ডা মাথাতেই সে হত্যা করে প্রেমিকাকে। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে কয়েকদিন আগেই শ্রীনগরে ছুরি কিনতে গিয়েছিল রবীন্দ্র। সেখানে মনমতো হাতিয়ার না পেয়ে শেষে অনলাইনে ছুরি অর্ডার করে দেয় সে। মনে করা হচ্ছে, সেই ছুরি দিয়েই মৌনিকার দেহ তিন টুকরো করে সে। একটি দেহাংশ ফ্রিজে রাখার পর অন্যটি বালির বস্তায় ভরে রাখে রবীন্দ্র। পাশাপাশি প্রেমিকার মাথাও পুড়িয়ে দেয় ওই যুবক।

প্রতিবেশীরা অবাক, আশপাশের ফ্ল্যাটের কেউ ভাবতেও পারছেন না রবীন্দ্র কী কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছে! কেউ সামান্যতম আঁচও পায়নি। তদন্তকারীদের দাবি, পরে ফোন করে এক বন্ধুর কাছ থেকে পরামর্শ চায় সে। তাঁরই দেওয়া পরামর্শ মতো সে থানায় গিয়ে অপরাধ কবুল করে। যা শুনে চমকে ওঠেন পুলিশকর্মীরা। দ্রুত ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে মৌনিকার দেহাংশ উদ্ধার করেন তাঁরা। এক অফিসার বলেছেন, ”খুন নয়, আমাদের চমকে দিয়েছে খুনের পরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি!”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.