৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বড় নেতা হতে চাইলে উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকদের কলার ধরো। শিক্ষক দিবসের দিন একটি স্কুলে গিয়ে পড়ুয়াদের এই পরামর্শই দিলেন ছত্তিশগড়ের শিল্প ও আবগারি দপ্তরের মন্ত্রী কাওয়াসি লাখমা। গত পাঁচ সেপ্টেম্বর ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলার একটি স্কুলে। সোমবার এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে দেশের রাজনৈতিক মহলে।

[আরও পড়ুন: চেন্নাই থেকে STF-এর জালে বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণের অন্যতম অভিযুক্ত]

ওই ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, স্কুলে ভিতরে থাকা ফাঁকা জায়গায় ইউনিফর্ম পরা একদল ছাত্রের সঙ্গে সঙ্গে বসে আছেন লাখমা। স্কুলপড়ুয়াদের সঙ্গে নিজের অতীত জীবনের গল্প করছেন। সেসময় এক ছাত্র তাঁকে জিজ্ঞাসা করে, একজন সফল রাজনীতিবিদ হতে গেলে কী করতে হয়? আচমকা এই প্রশ্ন শুনে কিছুক্ষণ চুপ করে যান ভূপেশ বাঘেল মন্ত্রিসভার সদস্য এবং বস্তারের কোন্টা বিধানসভার বিধায়ক কাওয়াসি। তারপর প্রশ্নকারী ছাত্রের দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘বড় নেতা হতে চাইলে কালেক্টর ও পুলিশ সুপারের কলার ধরো।’ এই মন্তব্য করার পরেই সামনে দিকে নিজের মুষ্টিবদ্ধ হাত ছুঁড়ে দিন বস্তার জেলার প্রভাবশালী ওই কংগ্রেস নেতা। আর তারপরই হেসে ওঠে ওখানে উপস্থিত স্কুলপড়ুয়া ও অন্যরা।

শিক্ষক দিবসের দিন স্কুলে গিয়ে পড়ুয়াদের মারাত্মক এই পরামর্শ দেওয়ার কথা জানাজানি হতেই বিতর্ক শুরু হয়। ছত্তিশগড়ের বিজেপি নেতারা কটাক্ষ করেন, ওনার কোনও দোষ নেই। কংগ্রেসের সংস্কৃতির কথাই প্রকাশ করেছেন উনি। তাঁর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে দেখে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন বস্তারের মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকার ওই আদিবাসী নেতা। সাফাই দেন, তাঁর মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তিনি আসলে ওই ছাত্রদের শক্ত মন ও মানসিকতার মানুষ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। যাঁরা লড়াই করে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারেন, তাঁরাই বড় নেতা হন। এটা বোঝাতে চেয়েছেন।

[আরও পড়ুন: তবরেজ কাণ্ডে চার্জশিটে ধৃতদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ প্রত্যাহার পুলিশের]

এর আগেও বিতর্কিত মন্তব্য জেরে সংবাদের শিরোনামে এসেছেন ২৫ বছর ধরে কংগ্রেসের বিধায়ক থাকা কাওয়াসি। গত লোকসভার সময়েও তাঁর বিতর্কিত মন্তব্যের একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছিল। কানকের জেলায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ইলেকট্রিক শক খাওয়ানোর ভয় দেখাতে দেখা যায় তাঁকে। ওইদিন তিনি বলছিলেন, কংগ্রেস বিরোধীদের ভোট দিলে ইলেকট্রিক শক খেতে হবে। কারণ, আমরা সেই ধরনের ব্যবস্থা করে রেখেছি।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং