Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Jammu and Kashmir

কাশ্মীরে ফের নাশকতার ছক পাকিস্তানের! ড্রোনের সাহায্যে ফেলা হল গ্রেনেড-সহ বহু অস্ত্র

অপারেশন সিঁদুরে সপাটে চড় খাওয়ার পরও শিক্ষা হয়নি পাকিস্তানের!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৯:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৯:১৬

options
link
কাশ্মীরে ফের নাশকতার ছক পাকিস্তানের! ড্রোনের সাহায্যে ফেলা হল গ্রেনেড-সহ বহু অস্ত্র zoom
উদ্ধার হওয়া অস্ত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরে সপাটে চড় খাওয়ার পরও শিক্ষা হয়নি পাকিস্তানের! জম্মু ও কাশ্মীরকে অশান্ত করতে ফের একবার ধূর্ত শেয়ালের মতো তৎপর হয়ে উঠল সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর। কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদকে মদত দিতে আকাশপথে পাঠানো হচ্ছে মারণাস্ত্র! সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বা জেলায় প্রকাশ্যে এল পাকিস্তানের অস্ত্রপাচারের ছক। আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে ড্রোনের সাহায্যে ফেলা হল অস্ত্রশস্ত্র, যা বাজেয়াপ্ত করেছে নিরাপত্তাবাহিনী।

শনিবার কাশ্মীরের নিরাপত্তা বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, সাম্বা জেলায় আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে ড্রোনের সাহায্যে ফেলা হয়েছিল ২টি পিস্তল, ৩টি ম্যাগাজিন, ১৬টি কার্তুজ-সহ অন্যান্য সামগ্রী। এই সমস্ত অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে পুলিশের তরফে। শুক্রবার রাতে টহল দেওয়ার সময় বিএসএফ (BSF) ও জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের বিশেষ দলের (SOG) নজরে আসে হলুদ রংয়ের র‍্যাপারে মোড়া একটি প্যাকেট। তার ভিতরেই ছিল এইসব অস্ত্রশস্ত্র।

Advertisement

প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, আসন্ন ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলা চালাতে প্রস্তুতি শুরু করেছে পাকিস্তান। কাশ্মীরে গা ঢাকা দিয়ে থাকা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উসকানি দেওয়া হচ্ছে। ড্রোনের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে অস্ত্র। যদিও এই সমস্ত এলাকায় নজরদারি ব্যাপকভাবে বাড়ানো হয়েছে। কোনও রকম সন্দেহজনক গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

এদিকে সম্প্রতি নিরাপত্তাবাহিনীর এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, চোরাপথে উপত্যকা ছেড়ে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে গিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন অনেকে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এ রকম অন্তত ৩০০ জন কাশ্মীরি বাসিন্দার নাম নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে রয়েছে, যাঁরা কাশ্মীর ছেড়ে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চলে গিয়েছেন। সন্দেহভাজনরা মূলত পুঞ্চ এবং রাজৌরির বাসিন্দা। তাঁদের কাজে লাগিয়েই কাশ্মীরের অন্য যুবকদের মগজধোলাই করার চেষ্টা করছে পাক জঙ্গি সংগঠনগুলি। জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত হওয়ার জন্য নানা রকম প্রলোভনও দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের সন্দেহ, মূলত সমাজমাধ্যমকে কাজে লাগিয়েই জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছেন সন্দেহভাজনরা। ইতিমধ্যেই কাশ্মীরের বেশ কয়েক জন যুবকের সঙ্গে তাঁরা যোগাযোগ করেছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.