Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Anna Hazare on Arvind Kejriwal

আবগারি কেলেঙ্কারিতে মুক্ত কেজরিওয়াল, ‘শিষ্য’কে নিয়ে কী বললেন ‘গুরু’ আন্না? মিটবে দ্বন্দ্ব?

শুক্রবার আবগারি দুর্নীতির মামলায় দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মণীশ সিসোদিয়া-সহ মোট ২১ জনকে বেকসুর খালাস করেছে নিম্ন আদালত। এই রায় প্রকাশ্যে আসার পরই রাজনৈতিক তরজা চরম আকার নিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৪:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৪:৪৪

options
link
আবগারি কেলেঙ্কারিতে মুক্ত কেজরিওয়াল, ‘শিষ্য’কে নিয়ে কী বললেন ‘গুরু’ আন্না? মিটবে দ্বন্দ্ব? zoom
আন্না হাজারের একসময়ের ‘ছায়াসঙ্গী’ ছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

একসময়ের ‘ছায়াসঙ্গী’, ‘শিষ্য’। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর আন্দোলনের জোরেই দিল্লির মসনদের অলিন্দে পৌঁছে গিয়েছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। কিন্তু পরে সেই কেজরিওয়ালের সঙ্গেই দূরত্ব তৈরি হয় আন্না হাজারের (Anna Hazare)। দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পরই বিভিন্ন সময়ে কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। কিন্তু আবগারি কেলেঙ্কারিতে এবার দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে মুক্তি দিয়েছে আদালত। তারপরই মুখ খুললেন আন্না।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আন্না বলেন, “আমাদের দেশ বিচার ব্যবস্থার উপর নির্ভর করে। বিচার ব্যবস্থা দেশের সর্বোচ্চ ব্যবস্থা। আমাদের দেশ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বর্ণ, ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের সমন্বয়ে গঠিত। বিচার ব্যবস্থার কারণে দেশ সঠিকভাবে চলছে।” তিনি আরও বলেন, “কেজরিওয়ালকে নিয়ে আমি যা বলেছিলাম, তা বিচার বিভাগ থেকে কোনও সিদ্ধান্ত আসার আগে ছিল। এখন আদালত রায় দিয়েছে, এই দুর্নীতিতে কেজরিওয়ালের কোনও ভূমিকা ছিল না। এই রায় আমাদের মনে নিতে হবে।” আন্নার এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি ‘গুরু’ এবং ‘শিষ্যে’র মধ্যে থাকা দ্বন্দ্ব কি মিটতে চলেছে?

Advertisement

২০২৫ দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ইস্যু ছিল আবগারি দুর্নীতি। বিজেপির অভিযোগ ছিল, দিল্লিতে আপ যে আবগারি নীতি চালু করেছিল তা রাজধানীর কোষাগারে বড় ধাক্কা দিয়েছে। অন্তত ২ হাজার ২৬ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে দিল্লি সরকারের। তাতে মূল অভিযুক্ত হিসাবে তুলে ধরা হয়েছিল কেজরিওয়াল ও সিসোদিয়াকে। সব মিলিয়ে ২৩ জনকে এই মামলায় অভিযুক্ত করে সিবিআই। সরাসরি অভিযুক্ত হিসাবে দেখানো হয়েছে আম আদমি পার্টিকে। যা ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। এই মামলায় জেলে যেতে হয় কেজরিওয়ালকে। জেল থেকে ফিরে মুখ্যমন্ত্রিত্বও ছাড়েন তিনি। মণীশ সিসোদিয়া-সহ দিল্লির একাধিক মন্ত্রীকে জেলে যেতে হয়।

আদালতের পর্যবেক্ষণ, তদন্ত চলাকালীন সিবিআই কারও বিরুদ্ধেই পোক্ত প্রমাণ দিতে পারেনি। আদালতের পর্যবেক্ষণ, মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রমাণও জোগাড় করা যায়নি। আর কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে মামলা সাজানো হয়েছিল স্রেফ ধারণার ভিত্তিতে। রাউজ এভিনিউ কোর্টের বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং বলেন, এই মামলার বেশিরভাগটাই সাজানো হয়েছে রাজসাক্ষীর বয়ানের ভিত্তিতে। সেটা করা যায় না। সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিক কূলদীপ সিংয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.