Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

বিচিত্র সমীকরণ! তোগাড়িয়ার পাশে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে তোপ হার্দিকের

তোগাড়িয়ার বিক্ষোভে নয়া রাজনৈতিক সমীকরণের জন্ম?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০১৮, ০২:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০১৮, ০২:৫৩

options
link
বিচিত্র সমীকরণ! তোগাড়িয়ার পাশে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে তোপ হার্দিকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বয়সের কারণে এখনও নির্বাচনে লড়ার ছাড়পত্র পাননি। কিন্তু ভারতীয় রাজনীতিতে বর্তমান সময়ে তিনি যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। হার্দিক প্যাটেল মানেই ছক বদলে দেওয়ার খেলা। এবার সেই হার্দিককেই দেখা গেল দাপুটে ভিএইচপি নেতা প্রবীণ তোগাড়িয়ার পাশে। তোগাড়িয়ার পাশে দাঁড়িয়েই বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন হার্দিক।

এনকাউন্টারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সরব তোগাড়িয়া ]

Advertisement

রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ থাকার পর প্রকাশ্যে এসেছেন তোগাড়িয়া। এসেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। জানিয়েছেন, এনকাউন্টারে তাঁকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করা হচ্ছিল। তাঁর অফিসে এসে জনৈক ব্যক্তি এ কথা বলে চলে যান। তারপরই মোবাইল অফ করে দেন দাপুটে নেতা। আত্মগোপন করে থাকেন। প্রায় ২৪ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে আসেন। জানান, এনকাউন্টারের সম্ভাবনার কথা। রাজস্থান পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই নেতা। অতীতের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, গুজরাটেও এ ধরনের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। প্রত্যাশিতভাবেই এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শোরগোল গোটা দেশে। বিজেপি, ভিএইচপি জোট যে এভাবে টলে যাবে তা সম্ভবত কেউ ভেবে উঠতে পারেননি।

অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার ‘নিখোঁজ’ প্রবীণ তোগাড়িয়া ]

রাজনীতির এই রন্ধ্রপথেই প্রবেশ হার্দিক প্যাটেলের। পতিদার নেতা পৌঁছে গিয়েছিলেন হাসপাতালে। তোগাড়িয়ার পাশে দাঁড়িয়েই তোপ দেগেছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। বিজেপি যে সুপরিকল্পিতভাবে তোগাড়িয়াকে হেনস্তা করেছে তাও জানিয়ে দেন তিনি। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেতা অর্জুন মোধওয়াড়িয়া। গুজরাট নির্বাচনে কংগ্রেসের পক্ষে থেকে দেশের রাজনীতিতে প্রায় নির্ণায়ক হয়ে উঠেছিলেন হার্দিক। বিবাদমান পতিদারদের তিনি এক ছাতার তলায় আনেন। এককাট্টা করেন মোদি সরকারের বিরুদ্ধে। তার ফলও হাতেনাতে পায় কংগ্রেস। জয় হাসিল হয়নি বটে। তবে আসনবৃদ্ধি হয়েছে। নির্বাচনে না লড়ার কারণে কোনও সাংবিধানিক পদ পাননি হার্দিক। যেমনটা জিগনেশ মেওয়ানি পেয়েছেন। কিন্তু রাজনীতির চাকা ঘোরাতে হার্দিক যে অত্যান্ত ক্রিয়াশীল তা রাহুল থেকে মোদি কারওরই বুঝতে অসুবিধা হয়নি। এখন তোগাড়িয়া যখন বিজেপির বিরুদ্ধেই বিক্ষুব্ধ, তখন সেই হার্দিক শক্তিকেই কাজে লাগাল কংগ্রেস, মত বিশেষজ্ঞদের। তিনি যে বিরোধী শক্তির কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝিয়ে দেওয়া হল তরুণ এই নেতাকেও। যদিও রাহুলের স্পষ্ট নির্দেশ আছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। তবে কংগ্রেস নেতা ও হার্দিক যেভাবে পাশাপাশি থেকে তোগাড়িয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন ও বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তোগাড়িয়ার ক্ষোভকে সামনে রেখে বিজেপি বিরোধিতার হাওয়া কি ফের একবার চাগিয়ে তুলবেন হার্দিক ও কংগ্রেস? রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আপাতত হার্দিকের গতিবিধি সে ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.