Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Supreme Court

ইডি-সিবিআই তদন্ত মানেই সময় নষ্ট! চিটফান্ড মামলায় চাঞ্চল্যকর পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

কটা মামলার যুক্তিযুক্ত সমাধান করেছেন? সিবিআইকে প্রশ্ন শীর্ষ আদালতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৩, ১৬:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৩, ১৬:৪৫

options
link
ইডি-সিবিআই তদন্ত মানেই সময় নষ্ট! চিটফান্ড মামলায় চাঞ্চল্যকর পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “অতীত অভিজ্ঞতা বলছে ইডি (ED) বা সিবিআইয়ের (CBI) হাতে কোনও মামলা যাওয়া মানেই সময় নষ্ট হওয়া। বছরের পর বছর সময় কেটে যায়। মামলার সমাধান হয় না। আজ পর্যন্ত ঠিক কটা মামলার যুক্তিযুক্ত সমাধান আপনারা করতে পেরেছেন?” ঠিক এই ভাষাতেই ইডি-সিবিআইয়ের মতো দুই প্রথম সারির কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে তিরস্কার করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ওড়িশার এক চিটফান্ড মামলায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্ত নিয়ে একাধিক তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে শীর্ষ আদালত।

বাংলার মতো ওড়িশার বহু সাধারণ নাগরিকও চিটফান্ড প্রতারণার শিকার। প্রায় ২৫ লক্ষ মানুষ একাধিক চিটফান্ড সংস্থার দ্বারা প্রতারিত। প্রতারণার মোট অঙ্ক ১০ হাজার কোটি। সেই সব সংস্থার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা ঠুকেছিলেন পিনাকপাণি মোহান্তি (Pinakpani Mohanti) নামের এক ব্যক্তি। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এম আর শাহ (MR Shah) এবং সিটি রবিকুমারের (CT Ravikuamr) ডিভিশন বেঞ্চ ইডি সিবিআইয়ের কাছে জানতে চেয়েছে, আজ পর্যন্ত ঠিক কটা আর্থিক প্রতারণা মামলার যুক্তিযোগ্য ফয়সলা করতে পেরেছে এই দুই কেন্দ্রীয় সংস্থা? সিবিআইয়ের আইনজীবী এ প্রশ্নের জবাব দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে সময় চেয়ে নিয়েছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রবল শীতে কাঁপছে বাংলাদেশ, এক সপ্তাহে মৃত্যুর কবলে ১৫ শিশু]

এই মামলাতেই বিচারপতি শাহ বলেন,”আমার অভিজ্ঞতা বলছে, যে সব আর্থিক প্রতারণা মামলায় সিবিআই এবং ইডি তদন্ত করে, সেই মামলাতেই তদন্ত ঢিলে হয়ে যায়। বছরের পর বছর কেটে যায়। এরপর বাধ্য হয়ে জামিন দিতে হয়। কটা আর্থিক কেলেঙ্কারির আপনারা যুক্তিযুক্ত সমাধান করেছেন” যদিও সিবিআইয়ের এই ঢিলেমির কারণ নিজেই ব্যাখ্যা করেছেন বিচারপতি শাহ। তিনি বলেছেন,”হয়তো আপনাদের লোকবল কম। হয়তো পরিকাঠামো নয়। হয়তো সব আধিকারিক ব্যস্ত। কিন্তু আপনাদের কর্মপদ্ধতি বদলাতে হবে।” কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তিরস্কার করে বিচারপতি শাহ বলেন,”আপনারা এই ব্যাপারটিকে আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখুন। যারা নিজেদের কষ্টার্জিত টাকা খুইয়েছেন, তাদের কথা ভাবুন। আমরা টাকা উদ্ধার করতে চাই।” সোমবার মামলার পরবর্তী শুনানি।

[আরও পড়ুন: বিমানে বৃদ্ধার গায়ে প্রস্রাব, মদ্যপ ব্যক্তির বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারির আরজি]

উল্লেখ্য, এ রাজ্যের ছোটবড় যে কোনও ঘটনায় সিবিআই তদন্ত দাবি করা বিরোধীদের স্বভাব। এমনকী সাম্প্রতিক অতীতে হাই কোর্টও একাধিক মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু তৃণমূল (TMC) বরাবর বলে আছেন, সিবিআই তদন্তে কাজের কাজ কিছু হয় না। বরং মামলার সমাধানে বেশি সময় লেগে যায়। শীর্ষ আধিকারিকদের পর্যবেক্ষণ তৃণমূলের সেই দাবিকেই কার্যত বৈধতা দিল

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.