BREAKING NEWS

২১ আষাঢ়  ১৪২৭  সোমবার ৬ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

মনোরোগীরা কেন বিমার আওতায় নয়? সংস্থাগুলিকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: June 17, 2020 2:30 pm|    Updated: June 17, 2020 2:30 pm

An Images

দীপাঞ্জন মণ্ডল, নয়াদিল্লি: মনোরোগীদের বিমার আওতায় কেন নিয়ে আসা হয়নি? মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এক মামলায় মঙ্গলবার সে কথা জানতে চেয়ে কেন্দ্র ও ইনসিওরেন্স রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া বা আইআরডিএ (IRDA)-কে নোটিস দিল দেশের শীর্ষ আদালত

প্রসঙ্গত, গৌরব কুমার বনসাল নামে এক আইনজীবী মনোরোগী ও মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলা সোমবার ওঠে বিচারপতি আর এফ নরিম্যান, বিচারপতি নবীন সিনহা ও বিচারপতি বি আর গাবাইয়ের বেঞ্চে। মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের নানা ধারা যে বিমা সংস্থাগুলি লঙ্ঘন করছে, সেই বিষয়টি আদালতে তুলে ধরেন মামলাকারী। তিনি আদালতে এদিন সওয়াল করেন, “অন্যান্য শারীরিক অসুস্থতাকে যদি বিমার আওতায় নিয়ে আসা হয়, তাহলে কেন মনোরোগের ক্ষেত্রেও সেই সুবিধা দেওয়া হবে না।” তারপরেই তিনি জানান, “মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন ২০১৭-এর ২১ ধারা লঙ্ঘন করেছে বিমা সংস্থাগুলি। এই আইনে বলা রয়েছে, মানসিক রোগীর সঙ্গে কোনওরকম বৈষম্য করা যাবে না স্বাস্থ্যবিমা বা জীবনবিমার ক্ষেত্রে।”

[আরও পড়ুন:লাদাখ ইস্যুতে এবার আলোচনা বিরোধীদের সঙ্গেও, ১৯ জুন সর্বদল বৈঠক ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী]

তিনি আরও জানান, “ভারতীয় সংসদ জানিয়েছে বিমার আওতায় আনার ক্ষেত্রে মনোরোগীদেরও অন্যান্য রোগীদের মতো সুবিধা দিতে হবে। কিন্তু আরটিআই-এ দেখা গিয়েছে, বেশিরভাগ বিমা সংস্থা মনোরোগকে বিমার আওতায় নিয়ে আসে না।” তাই এদিন সওয়াল করার সময় আইআরডিএ-কেও প্রশ্নের মুখে ফেলে দেন তিনি। আইনজীবী জানান, “আইন থাকা সত্ত্বেও আইআরডিএ এই বিষয়ে বিমা সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করে না।” তাঁর অভিযোগ, আইআরডিএ নিজেই বৈষম্য করে মনোরোগীদের সঙ্গে। এই বিষয়টি নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও দাবি করেন। সওয়াল জবাবের পর এদিন শীর্ষ আদালতের তরফে কেন্দ্র ও আইআরডিএ-কে নোটিস দিয়ে এই বিষয়ের জবাব চাওয়া হয়েছে।

[আরও পড়ুন:স্থগিত EMI’এর উপর সুদ আদায়, কেন্দ্র ও ব্যাংকগুলিকে তুলোধোনা সুপ্রিম কোর্টের]

প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের মধ্যে মানসিক অসুস্থতা যে বাড়ছে, তা বারবার উঠে এসেছে বিভিন্ন রিপোর্টে। সম্প্রতি অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের (Sushant Sing Rajput) আত্মহত্যার পর মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত অনেকেই। মানসিক অবসাদে ভুগছে এমন অনেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। তাই এই পরিস্থিতিতে মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন এবং সংশ্লিষ্ট মামলাটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement