BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘তাড়াহুড়ো নয়, ভুল টিকা দিয়ে কারও প্রাণ কাড়তে চাই না’, বলছে কোভ্যাক্সিন প্রস্তুতকারী সংস্থা

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: August 11, 2020 10:45 am|    Updated: August 11, 2020 10:45 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোনও তাড়াহুড়ো নয়। সবরকম পরীক্ষানিরীক্ষার পর সর্বোচ্চ মানের করোনা টিকা তৈরিতে আমরা বদ্ধপরিকর। বলছেন ভারত বায়োটেকের চেয়ারম্যান ডঃ কৃষ্ণ এলা (Dr Krishna Ella)। হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন। ভারত বায়োটেক সেই সংস্থা, যারা কিনা ভারতের প্রথম সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি করোনার প্রতিষেধক তৈরি করছে। সেই সংস্থার চেয়ারম্যান বলছেন, দেশে দিন দিন যে হারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে তাঁর উপর চাপ পড়ছে। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে আরও বেশি মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলতে চান না তিনি।

দেশজুড়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ভারতে ইতিমধ্যেই ২৩ লক্ষের কাছাকাছি মানুষ এই ভাইরাসের কবলে পড়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষের। এ হেন আতঙ্কের মধ্যে আশা জুগিয়েছে সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি প্রতিষেধক কোভ্যাক্সিন (Covaxin)। যা কিনা এখন ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পর্যায়ে আছে। এই ট্রায়াল বেশ সময়সাপেক্ষ। কিন্তু ভারত বায়োটেকের চেয়ারম্যান বলছেন, দ্রুত ভ্যাকসিন বাজারে আনার জন্য চাপ আসছে তাঁদের উপর। যদিও চাপের কাছে মাথা না নুইয়ে সম্পূর্ণ পরীক্ষানিরীক্ষার পরই কোভ্যাক্সিন বাজারে আনা হবে বলে জানিয়েছেন ডঃ কৃষ্ণ এলা। তাঁর সাফ কথা, “আমাদের উপর এই ভ্যাকসিন দ্রুত তৈরি করার জন্য বড়সড় চাপ আসছে। কিন্তু আমাদের কাছে সুরক্ষা আর প্রতিষেধকের মান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভুল ভ্যাকসিন দিয়ে আরও মানুষের প্রাণ কেড়ে নিতে চাই না।”

[আরও পড়ুন: সংকটমুক্ত নন প্রণব মুখোপাধ্যায়, মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচারের পর রাখা হয়েছে ভেন্টিলেশনে]

উল্লেখ্য, কেন্দ্রের তরফে প্রথমে ঘোষণা করা হয়েছিল ১৫ আগস্টের মধ্যে এই ভ্যাকসিনটি বাজারে আসবে। কিন্তু সেটা যে আর সম্ভব নয়, তা স্পষ্ট। ইতিমধ্যেই কোভ্যাক্সিনের প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পূর্ণ হয়েছে। বাকি আরও দুই পর্যায়। এই দুই পর্যায়ই বেশ সময়সাপেক্ষ। স্বাভাবিকভাবেই সুরক্ষিত এবং উপযোগী ভ্যাকসিন তৈরির জন্য সময় চাইছে ভারত বায়োটেক (Bharat Biotech)। কিন্তু সংস্থার চেয়ারম্যান যে চাপের কথা বলছেন, সেই চাপ কথা থেকে আসছে? সরকারের তরফ থেকে, নাকি অন্য কোনও মহল থেকে? সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement