Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Jammu

‘জম্মু সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চি সিল করা হবে’, সন্ত্রাস রুখতে বড়সড় পরিকল্পনা কেন্দ্রের

অত্যাধুনিক অস্ত্র সজ্জিত করা হচ্ছে উপত্যকার 'ভিলেজ ডিফেন্স গ্রুপ'কে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২৪, ১৫:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২৪, ১৫:০৪

options
link
‘জম্মু সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চি সিল করা হবে’, সন্ত্রাস রুখতে বড়সড় পরিকল্পনা কেন্দ্রের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উপত্যকায় দফায় দফায় জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘুম ছুটিয়েছে সেনার। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অনুপ্রবেশের চেষ্টা। কাশ্মীর ছাড়িয়ে জঙ্গিরা মূলত টার্গেট করছে জম্মুকে। এহেন অবস্থায় এবার ভূস্বর্গকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে বড়সড় পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন। গোটা পরিস্থিতি সামাল দিতে জম্মু ও কাশ্মীরের ডিজিপি আরআর সওয়াইন জানালেন, যে সব এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটেছে তা ইতিমধ্যেই চিহ্নিত হয়েছে। অনুপ্রবেশ আটকাতে পাক-জম্মু সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চি সিল করা হবে।

সংবাদ মাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডিজিপি বলেন, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়তে এবার ‘ভিলেজ ডিফেন্স গ্রুপ’কে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। আগের তুলনায় আরও অত্যাধুনিক অস্ত্র দেওয়া হচ্ছে তাঁদের। সেনা, পুলিশ ও সেন্ট্রাল ফোর্সের আওতায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যাতে জঙ্গিরা গ্রামে ঢুকলে সঙ্গে সঙ্গে তাদের প্রতিহত করা যায়। পুলিশ কর্তা বলেন, মাত্র ৪-৫ জন জঙ্গি একটা গোটা এলাকাকে প্রভাবিত করছে। যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এর সুবিধা পাচ্ছে জঙ্গিরা। ভারতে ঢুকে উঁচু জায়গায় ঘাঁটি গেড়ে সেনার উপর হামলা চালাচ্ছে তারা। কাশ্মীরে সেভাবে সুবিধা করতে না পেরে এখন জম্মুকে টার্গেট করছে জঙ্গিরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: খুনের রাজনীতি অব্যাহত! তামিলনাড়ুতে দুষ্কৃতী হামলায় এবার মৃত AIADMK কর্মী]

পুলিশ কর্তার দাবি অনুযায়ী, বর্তমানে ৫০-৮০ জন জঙ্গি জম্মুর কাঠুয়া, রিয়াসি, ডোডা, উদমপুরের মত জায়গায় ঘাঁটি গেড়েছে। তবে এদের জন্য বিপদ অপেক্ষা করছে শীতে। শীতকালে পাহাড়ি স্থানীয় বসতি সরবে, ফলে জঙ্গিদের থাকা-খাওয়া নিয়ে সমস্যা হবে। জম্মুতে যেখানে বরফ নেই সেখানে সবুজ ঘেরা এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে জঙ্গিরা। তবে ডিসেম্বরে ওই অঞ্চলে কোনও জনবসতি থাকবে না। তখন জঙ্গিদের কাছে তিনটি বিকল্প থাকবে পাকিস্তানে ফিরে যাওয়া, বরফের মধ্যে আশ্রয় নেওয়া, নয় মৃত্যু। নাহলে কাশ্মীরে ফিরতে হবে তাদের। যেখানে ঢুকতে গেলেই জঙ্গিদের নিরাপত্তা বাহিনীর মুখে পড়তে হবে। এদিকে অনুপ্রবেশের সম্ভাব্য এলাকাগুলিতে আরও বেশি করে নিরাপত্তাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের যঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়িয়ে অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত খবরাখবর যাতে জোগাড় করা যায় সে চেষ্টাও চলছে।

[আরও পড়ুন: ১০ দিন পর বাংলাদেশে চালু হচ্ছে মোবাইল ইন্টারনেট, এখনও ‘বন্ধ’ ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ]

এদিকে সন্ত্রাস মোকাবিলায় উপত্যকায় কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে সেনা। ২০০০ বাড়তি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে। ১২ বছর পর জম্মুর পাহাড়ের চূড়ায় মোতায়েন রয়েছে সেনা। উদ্দেশ্য, গুলির যুদ্ধ শুরু হলে জঙ্গিদের পাহাড়ের উপর পর্যন্ত নিয়ে আসা। পাশাপাশি লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের খোঁজে জায়গায় জায়গায় শুরু হয়েছে চিরুনি তল্লাশি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.