সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাতীয় পতাকা তোলায় তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। দেশকে ভালবেসে ‘সারে জাঁহাসে আচ্ছা’ গেয়ে উঠতে পারেন। শুধু জাতীয় সংগীত গাইতেই নারাজ তাঁরা। মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশের এই মনোভাব নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। এবার তার জবাবও দিলেন এক মৌলবি। তাঁর দাবি, জাতীয় সংগীত থেকে ‘সিন্ধ’ শব্দটি সরিয়ে নিলেই গাওয়ায় কোনও আপত্তি থাকে না।
[ লজ্জা! স্বাধীনতা দিবসেই কালিমালিপ্ত নেতাজির মূর্তি ]
৭১তম স্বাধীনতা দিবসের আগে যোগী সরকারের কড়া ফরমান ছিল। প্রতিটি মাদ্রাসায় জাতীয় পতাকা তুলতে হবে। গাইতে হবে জাতীয় সংগীত। পুরো অনুষ্ঠান ভিডিও করে পাঠাতেও হবে। যদিও নির্দেশ সত্ত্বেও বহু মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়নি। বরং নির্দেশিকা আসামাত্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন মৌলবিরা। একজন জানিয়েছিলেন, জাতীয় সংগীতের শেষে যখন ‘জয় হে’ বলা হয়, তখন যেন মনে হয় আল্লাহকে ছোট করা হচ্ছে। প্রত্যাশামতোই স্বাধীনতা দিবসের দিনও মাদ্রাসার পড়ুয়ারা ‘জন গণ মন’ মুখে আনেনি। অথচ জাতীয় পতাকা তোলা হয়েছে পূর্ণ মর্যাদাতেই।
[ উলটো জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেও হাসিমুখে ছবি বিজেপি সাংসদের ]
এই ঘটনারই ব্যাখ্যা দিয়ে নাদওয়া মৌলানা খালিদ নামে এক মৌলবি বলেন, ‘আসলে জাতীয় সংগীতের মধ্যে সিন্ধ শব্দটি রয়েছে। যা এখন পাকিস্তানে। আমরা কখনওই পাকিস্তানের জয়গান করতে পারি না, বা তা নিয়ে প্রার্থনা করতে পারি না।’ মৌলবির মতে, এ কারণেই স্বাধীনতার পর থেকে জাতীয় সংগীতের বদলে, ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’ গাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। তাঁর দাবি, প্রশাসন যদি জাতীয় সংগীত থেকে এই শব্দটি সরিয়ে নেয়, তাহলে আর গাওয়ার কোনও আপত্তি থাকে না।
সর্বশেষ খবর
-
দলে আর জায়গা নেই, জানিয়ে দিয়েছে বোর্ড! রবিবারই শেষ ওয়ানডে খেলবেন রোহিত?
-
দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’, ফ্ল্যাট দখলের অভিযোগে পুলিশের জালে বিজেপি নেতা
-
ঋত-তৃণমূলে এবার ব্রাত্যও? ঘাসফুল শিবিরে ভাঙনের মরশুমে তুঙ্গে জল্পনা
-
ফুলবাগানের মন্দির তহবিল থেকে ‘চুরি’ ৪৪ লক্ষ, অভিযোগ দায়ের কমিটির
-
আর্জেন্টিনার জয়ে উল্লাস করতে গিয়ে মৃত্যু! বাংলাদেশে মর্মান্তিক পরিণতি তরুণের