সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোনও মহিলা যদি স্নাতক হন, তাহলেই তাঁকে জোর করে কাজ করতে বাধ্য করা যায় না। এক মামলা প্রসঙ্গে এমনই মন্তব্য বম্বে হাই কোর্টের (Bombay High Court)। বিচারপতি ভারতী ডাংরে এপ্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ”কোনও মহিলা স্নাতক হওয়ার অর্থ এই নয় যে, তাঁকে চাকরি করতেই হবে। বাড়িতে বসে থাকলে হবে না।” তাঁর ব্যাখ্যা, এটা একেবারেই ওই মহিলার সিদ্ধান্ত তিনি কী করবেন। তাঁর ইচ্ছে হলে তিনি চাকরি করতে পারেন। কিন্তু যদি ইচ্ছা না হয়, তাহলে তাঁকে চাকরি করতে বাধ্য করা যাবে না।
একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই এমন মন্তব্য বিচারপতি ডাংরের। ২০১০ সালে ওই দম্পতির বিয়ে হয়। কিন্তু ২০১৩ সাল থেকে মহিলা তাঁর সন্তানকে নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করেন। সেই বছরই গার্হস্থ্য হিংসার মামলা দায়ের করেন তিনি। খোরপোশও চান। আদালত সেইমতো নির্দেশও দেয় মহিলার স্বামীকে। কিন্তু ওই ব্যক্তির আইনজীবী দাবি করেন, যেহেতু ওই মহিলা কর্মরত, তাই তাঁকে খোরপোশ দেওয়ার নির্দেশটি ঠিক নয়।
[আরও পড়ুন: এসব বরদাস্ত করা হবে না, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, হাওড়ার হিংসা রুখতে কড়া বার্তা মমতার]
এপ্রসঙ্গেই এদিন ওই মন্তব্য করেন বিচারপতি ভারতী ডাংরে। তিনি এও বলেন, ”আজ আমি একজন বিচারপতি। কিন্তু কাল আমি বাড়িতে বসে যেতে পারি। তখন কি আপনি বলবেন আমি যেহেতু একজন বিচারপতি, তাই আমি বাড়িতে বসে থাকতে পারব না?”
তাঁর কথায়, ”একজন গৃহবধূকে সংসারে অবদান (আর্থিক ভাবে) রাখতেই হবে, এটা আমাদের সমাজে এখনও গ্রহণযোগ্য নয়। কেবলমাত্র স্নাতক হলেই তিনি বাড়িতে বসে থাকবেন, তা নয়।” উল্লেখ্য, ভারতীয় সমাজে মহিলাদের চাকরি করা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক। আজও সমাজের একটা অংশ মহিলাদের চাকরি করতে দিতে আপত্তি করে। এই পরিস্থিতিতে এদিন এমন মন্তব্য করলেন বম্বে হাই কোর্টের বিচারপতি।
[আরও পড়ুন: জেলে রাত কাটিয়ে গালাগাল ভুললেন রোদ্দুর রায়! পুলিশকে শেখাচ্ছেন ‘মোক্সাবাদ’]
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক