হঠাৎ প্রসব বেদনা ওঠে মহিলার। অ্যাম্বুল্যান্স ডাকেন গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু তা মেলেনি! বাধ্য হয়ে অটোয় চাপিয়ে অন্তঃসত্ত্বাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। কিন্তু পৌঁছনোর আগে পথেই চার প্রিম্যাচিউর সন্তানের জন্ম দেন তিনি। তবে কাউকেও বাঁচানো যায়নি। যদিও মহিলা সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশে।
প্রথমে ঘুটাস প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছন তাঁরা। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর একটি কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে রেফার করা হয় তাঁকে। সেখানে যাওয়ার পথে প্রসববেদনা আরও চরমে ওঠে। অটো রিকশার মধ্যেই চারটি ‘প্রিম্যাচিওর’ সন্তান প্রসব করেন রজনী।
আরও পড়ুন:
মধ্যপ্রদেশের মন্ডলা জেলার বাসিন্দা রজনী সিন্দ্রম। ২৮ বছরের রজনী সাতমাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। মঙ্গলবার হঠাৎ তাঁর প্রসববেদনা শুরু হয়। অ্যাম্বুল্যান্সে ফোন করেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে অটোয় চাপিয়ে মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার। প্রথমে ঘুটাস প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছন তাঁরা। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর একটি কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে রেফার করা হয় তাঁকে। সেখানে যাওয়ার পথে প্রসববেদনা আরও চরমে ওঠে। অটো রিকশার মধ্যেই চারটি ‘প্রিম্যাচিওর’ সন্তান প্রসব করেন রজনী। সেই অবস্থাতেই হেলথ সেন্টারে পৌঁছলে চার সদ্যোজাতকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
রজনীর স্বামী ধনেশ সিন্দ্রম বলেন, “৬-৭ মাস চলছিল। অটো রিকশায় চাপিয়ে আনতে হয় আমাদের। অ্যাম্বুল্যান্স পাওয়া যায়নি। রাস্তাতেই সন্তান প্রসব করে ফেলে। চারটি শিশুই মারা গিয়েছে।” বিছিয়া বিএমও ডা. অনুপকুমার ভারতীয় জানিয়েছেন, হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই ওই মহিলা সন্তান প্রসব করেছিলেন। তিনি জানান, রজনী প্রায় ৩০ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। সদ্যোওজাতদের পুষ্টির অভাব ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুদের বাঁচানো না গেলেও মহিলার অবস্থা স্থিতিশীল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
হরমুজে জাহাজ চলতে দেওয়া হোক, ট্রাম্পের ‘ভয়ংকর হামলা’র পরই সংযত থাকার বার্তা ভারতের
-
কৃষকবন্ধু প্রকল্পে বাদ ৩০ লক্ষের নাম! সুবিধা পেতে আবেদন করতে হবে ‘কৃষকবন্ধু নিউ’তে
-
সৎ বাবা-দাদুর লালসার শিকার নাবালিকা! স্কুল শিক্ষিকাদের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২
-
মারাঠি না জানলে বাতিল ট্যাক্সিচালকদের লাইসেন্স! ভূমিপুত্রদের জন্য বিরাট ঘোষণা মহারাষ্ট্রের
-
‘বিশ্বকাপ থেকে বার করে দেওয়া হোক’, রেফারিং নিয়ে ফিফার কাছে লিখিত অভিযোগ মিশরের