Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
আমফান

আমফানের তাণ্ডবের মধ্যেই ওড়িশায় দমকলের গাড়িতে ভূমিষ্ঠ শিশু

দমকলের ভূমিকাকে কুর্নিশ সকলের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২০, ১৯:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২০, ১৯:১২

options
link
আমফানের তাণ্ডবের মধ্যেই ওড়িশায় দমকলের গাড়িতে ভূমিষ্ঠ শিশু zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ যেন মায়ার আবির্ভাব! ঠিক যেমনটা ঘটেছিল শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময়। প্রবল দুর্যোগে পৃথিবীতে আবির্ভাব ঘটেছিল কৃষ্ণের। তেমনই আমফানের তাণ্ডবের মধ্যেই ওড়িশায় জন্ম নিল এক ছোট্ট শিশু। দমকলের গাড়িতেই জন্ম নেয় সেই শিশু কন্যা। বর্তমানে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ বলে খবর।

অন্ধকার আকাশ। ১০০ কিলোমিটারের ও বেশি গতিবেগে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। রাস্তায় কোনও পশু-পাখিরও দেখা নেই। সতর্কতা জারি করা হয়েছে উপকূলের অঞ্চলগুলিতে। তার সঙ্গে দোসর করোনার সংক্রমণ। এমন সময়ই ওড়িশার কেন্দ্রপাড়ায় জানকী শেঠীর প্রসব যন্ত্রণা দেখা দেয়। হাসপাতালে ফোন করলে মেলেনি অ্যাম্বুল্যান্স। স্থানীয়দের সহায়তায় খবর যায় নিকটবর্তী দমকলের অফিসে। তৎখনাত, দমকল আধিকারিক পি কে দাস অন্তঃসত্ত্বার বাড়ি খোঁজ করে তাঁকে হাসপাতালে পৌঁছে দিতে আসেন। কিন্তু হাসপাতাল অবধি পৌঁছতে হয়নি। তার আগে গাড়িতেই জন্ম নেয় সেই নবজাতক। দমকল আধিকারিকের কথায়, “স্থানীয়দের থেকেই সকাল ৮টায় জানকীর সমস্যার কথা জানতে পারি। তখনই তাঁর বাড়িতে গাড়ি পাঠাই। ততক্ষণে দমকলের বাকি কর্মীরা আমফানের তাণ্ডবের জেরে শহরাঞ্চলের উপরে পড়া গাছ সরাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। সেই রাস্তা ধরেই দমকলের গাড়ি জানকীকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু হাসপাতালে পৌছনোর আগেই গাড়িতে অন্তঃসত্ত্বা সন্তানের জন্ম দেয়।” পরে তাঁদের হাসপাতালে ভরতি করা হয়। সেখান দুজনেই সুস্থ রয়েছে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এমনকি এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দমকল কর্মীদের সহায়তার জন্য হাসপাতাল ও জানকীর পরিবারের তরফ থেকে কুর্নিশ জানানো হয়। স্থানীয়রা জানান, “ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা জানকী লকডাউনের জেরে ওড়িশায় আটকে পড়ে। এর মধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগে চিন্তা বাড়ে জানকীর পরিজনেদের।কিন্তু দমকল কর্মীরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।”

Advertisement

[আরও পড়ুন:দাপট বাড়াচ্ছে আমফান, নবান্নের কন্ট্রোল রুমে বসে নজর রাখছেন মমতা]

ঘূর্ণিঝড় আমফানের জেরে বিধ্বস্ত উপকূল অঞ্চলগুলি। প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সঙ্গে বইছে দাপুটে ঝোড়ো হাওয়া। এরই মাঝে কোথাও বাড়ির চাল উড়ে যাচ্ছে, কোথাও বা ভেঙে পড়ছে গাছ। প্রায় দেড় লাখ লোককে উপকূলের কাছ থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অন্যত্র। তাঁদের পাকা বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। উপকূলের কাছে কড়া নজরদাড়ি চালাচ্ছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। তার মধ্যেই ছোট্ট শিশুর জন্ম একরাশ আনন্দ বয়ে এনেছে জানকীর পরিবারে।

[আরও পড়ুন:আমফানের জেরে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কলকাতায় বিশেষ বিমান পরিষেবা বন্ধ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.