সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফোনে কথা বলতে মত্ত ছিলেন মহিলা। এতটাই মগ্ন ছিলেন কথা বলার দিকে যে সামনে যে বড়সড় বিষধর সাপ রয়েছে, সেদিকে ভ্রুক্ষেপও করেননি তিনি। কথা বলতে বলতেই সাপের উপর বসে পড়লেন। ফলে বেঘোরে প্রাণ গেল তাঁর। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরে।
ওই মহিলার নাম গীতা। গোরক্ষপুরের রিয়ানভ গ্রামে থাকতেন তিনি। তাঁর স্বামী জয় সিং যাদব থাইল্যান্ডে থাকেন। বুধবার সকালে স্বামীর সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন গীতা। খেয়াল করেননি একজোড়া সাপ কখন তাঁর বাড়িতে ঢুকে এসেছে। শুধু কি ঢুকে এসেছে? একেবারে গোড়া গেঁড়ে বসেছে বেডরুমে। তাও আবার খাটের উপর। গীতাই বা অতশত জানবেন কী করে? কথা বলতে তিনি এতটাই মশগুল যে সাপ দু’টিকে দেখতেই পাননি। বিছানার প্রিন্টেড কভারের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল সাপ দু’টি। তাই চোখে পড়াও ছিল মুশকিল। স্বামীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে গীতা বেডরুমে ঢুকে বিছানার উপর বসে পড়েন। আর তাতেই হয় বিপত্তি।
[ আরও পড়ুন: বিস্ফোরণে জ্বলছে হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের প্ল্যান্ট, বিপদের আশঙ্কায় গ্রামছাড়া বহু ]
বিছানায় উপর গীতার বসা হয়নি। তিনি গুটিয়ে থাকা সাপ দু’টির উপর বসে পড়েছিলেন। এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে গীতাকে কামড়ে দেয় দুই সরীসৃপ। বিষধর সাপ। ফলে দাঁত ফোটানো মাত্রই অচৈতন্য হতে পড়েন গীতা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ভরতি করা হয় স্থানীয় একটি হাসপাতালে। গীতার সঙ্গে যান পরিবারের সদস্যরাও। চিকিৎসাও শুরু হয় তাঁর। কিন্তু লাভ হয়নি। চিকিৎসা চলাকালীনই মারা যান গীতা। বাড়ি ফিরে আসার পর পরিবারের লোকেরা বেডরুমে ফিরে দেখে সাপ দু’টি তখনও বিছানাতেই রয়েছে। গ্রামবাসীরা তাদের পিটিয়ে মেরে ফেলে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সাপ দু’টির তখন শঙ্খ লেগেছিল। ঠিক সেই মুহূর্তেই গীতা তাদের উপর বসে পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই ক্রুদ্ধ হয়ে যায় তারা।
[ আরও পড়ুন: ২.১ কিমি নয়, চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ঢিলছোঁড়া দূরত্ব পর্যন্ত ইসরোর নিয়ন্ত্রণে ছিল বিক্রম! ]
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’