Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Jharkhand

শৌচাগারে যুবতীর আধপোড়া দেহ ঘিরে রহস্য! মিলছে না দুই ভাইয়ের বয়ান, ধন্দে পুলিশ

লিপিকা নাম্নী ওই যুবতী দীর্ঘদিন ধরে একাই সেখানে থাকতেন। তিনি মানসিক অসুখে ভুগছিলেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১৫:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১৫:০৩

options
link
শৌচাগারে যুবতীর আধপোড়া দেহ ঘিরে রহস্য! মিলছে না দুই ভাইয়ের বয়ান, ধন্দে পুলিশ zoom
এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, তাঁরা যুবতীর ঘর থেকে পচা গন্ধ পাচ্ছিলেন।

এক যুবতীর অর্ধদগ্ধ দেহ ঘিরে রহস্য ঘনাল ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) ঘিরে। পুলিশকে আরও ধন্দে রেখেছে মৃতার দুই ভাইয়ের বয়ান। যা পরস্পরবিরোধী বলে দাবি তদন্তকারীদের। সব মিলিয়ে ধানবাদের ওই মৃত্যুর নেপথ্যে রহস্য ক্রমেই দানা বাঁধছে।

বাস্তু বিহার এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, তাঁরা যুবতীর ঘর থেকে পচা গন্ধ পাচ্ছিলেন। এরপর পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুবতীর আধপোড়া দেহ উদ্ধার করে শৌচাগার থেকে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে শৌচাগারেই ওই যুবতীর মৃত্যু হয়েছিল ৮ এপ্রিল। পরবর্তী পাঁচদিন দেহ সেখানেই পড়েছিল। এরপর তাঁর বড় ভাই দেহ শ্মশানে না নিয়ে গিয়ে বালিশ, লেপ, কম্বল-সহ দেহটি শৌচাগারেই পুড়িয়ে দেন বলে দাবি করেছেন। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, তাঁরা যুবতীর ঘর থেকে পচা গন্ধ পাচ্ছিলেন। এরপর পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুবতীর আধপোড়া দেহ উদ্ধার করে শৌচাগার থেকে।

জানা গিয়েছে, লিপিকা নাম্নী ওই যুবতী দীর্ঘদিন ধরে একাই সেখানে থাকতেন। তিনি মানসিক অসুখে ভুগছিলেন। পরিবারের বাকিরাও নিজেদের সামাজিক ভাবে সরিয়ে নেন। লিপিকার বড়দাদা প্রণবের দাবি, লিপিকা খুবই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। বারবার শৌচাগারে যাচ্ছিলেন ও আসছেন। এরপর সেখানেই অচেতন হয়ে পড়ে গেলে তিনি দেখেন বোন মারা গিয়েছেন। কিন্তু বাকিদের খবর দিলে কেউই আসেননি। দেহটি সেখানেই পড়েছিল। দিনকয়েকের মধ্যেই দেহটিতে পোকাও হয়ে যায়। এরপর তিনি দেহটি পোড়ানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় তাঁদের ছোট ভাই প্রবুদ্ধ সেখানে উপস্থিত হন।

এদিকে প্রবুদ্ধ কিন্তু দাবি করেছেন, তিনি সেই সময় সেখানে যাননি। বরং দাদার থেকে খবর পেয়ে দিদির শেষকৃত্যের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু প্রণব তাঁকে জানান, শেষকৃত্য হয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রবুদ্ধও মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। ওই বাড়িতে ঠিক কী ঘটেছিল তা এখনও পরিষ্কার নয়। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে তবেই লিপিকার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলেই দাবি তাঁদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.