৪ আশ্বিন  ১৪২৬  রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রকৃতির রোষে হারিয়ে যাওয়ার মুখে বিশ্বের অন্যতম সেরা ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য৷ তুঙ্গভদ্রার তীরে অবস্থিত মন্দিরের সারির অর্ধেকটাই এখন জলের নিচে৷ চলতি বর্ষায় কর্ণাটকের প্লাবনের শিকার ইউনেস্কো স্বীকৃত হেরিটেজ সাইট হাম্পি৷ যা দেখে উদ্বেগের পাশাপাশি বিষণ্ণতাও উসকে উঠছে স্থাপত্যপ্রেমীদের৷

[আরও পড়ুন: ফেসবুক লাইভে বাঙালি যুবকের আত্মহত্যা, দিল্লির বহুতল থেকে উদ্ধার দেহ]

১৫০০ শতকে বিজয়নগর সাম্রাজ্যকালে ফুলেফেঁপে ওঠা হাম্পি সর্বশ্রেষ্ঠ তীর্থক্ষেত্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল৷ মন্দির, মসজিদের স্থাপত্যকীর্তি বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছিল৷ বিজয়নগর সাম্রাজ্য মুসলিমদের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার পর ধ্বংসের মুখে পড়েছিল হাম্পিও৷ তবু তার বেশ কিছু ধ্বংসাবশেষ এখনও অটুট৷ যা বেঁচে আছে, তার শোভাও কম কিছু নয়৷ ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবেই এখন কন্নড়ভূমে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে হাম্পি৷ নয়ের দশকের শেষদিকে ইউনেস্কোর তরফে কর্ণাটকের এই স্থাপত্যকীর্তিকে বিশ্বের হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করা হয়৷

এমন ইতিহাস বিজড়িত মন্দির, স্থাপত্য এখন অস্তিত্ব সংকটে৷ চলতি বছর বন্যায় কর্ণাটকের বিস্তীর্ণ অংশ জলের নিচে৷ পার পায়নি হাম্পিও৷ দেখা যাচ্ছে, ভাঙা মন্দিরগুলির অর্ধেকটা দখল করে নিয়েছে জল৷ হাম্পি দেখতে গিয়ে আটকে পড়েছিলেন অন্তত ৬০জন পর্যটক৷ তাঁদের উদ্ধার করা হলেও, হাম্পি পুলিশ স্টেশন জল থইথই হওয়ায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে অন্যত্র৷ একই চেহারা কোদানদারামা এবং হাম্পি সালু মনতপার মতো মন্দিরগুলিরও৷ শনিবার তুঙ্গভদ্রা নদী থেকে দেড় লক্ষ কিউসেকেরও বেশি জল ছাড়ায় তার তীরবর্তী অঞ্চল এখন জলের তলায়৷ যার মধ্যে রয়েছে হাম্পি-সহ অন্যান্য ঐতিহাসিক মন্দিরগুলি৷

[আরও পড়ুন: ছাগলের গায়ে লেখা ‘আল্লা’র নাম! ইদের দিন বিক্রি হল ৮ লাখ টাকায়]

স্থাপত্যপ্রেমীদের অনেকেরই বলছেন, এমনিই হাম্পির সেই কারুকাজ হারিয়ে গিয়েছে ইসলামের হামলায়৷ তারউপর এমন বর্ষার জলে ডুবে গিয়েছে মন্দির৷ সেই জলে স্থাপত্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে৷ তাই তাদের মনখারাপ৷ তাহলে কি হাম্পিকে বাঁচানো যাবে না? এই দুশ্চিন্তা গ্রাস করছে তাদের৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং