হেমন্ত মৈথিল, মহাকুম্ভ নগর: মহাকুম্ভের ফাইনাল কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। কেবল ভারত নয়, গোটা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী প্রতিদিন জরো হচ্ছেন উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ শহরে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ইটালি থেকে আসা তিন যুবকও। যাঁরা ভারতীয় সংস্কৃতি দ্বারা বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত। কয়েক হাজার কিলোমিটার ডিঙিয়ে মহাকুম্ভের সাক্ষী হতে রীতিমতো গেরুয়া পরে মেলায় হাজির হয়েছেন তিন বন্ধু।
সুদূর ইটালি থেকে এসেছেন যোগ প্রশিক্ষক এম্মা। তাঁর সঙ্গী স্টেফানো এবং পিয়েত্রো। ভারতীয় সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতি গভীরভাবে আস্থাশীল এম্মা বলেন, “এই প্রথম মহাকুম্ভে এসেছি। আমি একজন যোগ প্রশিক্ষক। আমার অনেক বন্ধু ভারতীয়। আমি ভারতীয় সংস্কৃতিকে শ্রদ্ধা করি। আমার মনে হয় যেন পূর্বজন্মে ভারতীয় ছিলাম! আমি ভারতীয় সঙ্গীত, ভজন এবং কীর্তন পছন্দ করি। মহাকুম্ভের ব্যবস্থাপনা চমৎকার।”
এম্মার সঙ্গী পিয়েত্রো বলেন, “আমি যোগার একজন ছাত্র। ভারতীয় সংস্কৃতি সম্পর্ক অল্পই জানি। সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব কুম্ভমেলা। এখানে প্রথমবার এলাম। বন্ধুরা আসছে জানতে পেরে আমিও এই সফরে যোগ দিই।” স্টেফানোও কুম্ভমেলা নিয়ে কৌতূহলের কথা জানান। তিনি রুশ বন্ধুদের থেকে নাগা সন্ন্যাসীদের কথা জেনেছিলেন। বলেন, “এটা আমার প্রথম কুম্ভ সফর। আমার কিছু রাশিয়ান সাধু বন্ধু এই মেলার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলেন, যা আমাকে এখানে আসতে অনুপ্রাণিত করেছে।”
সর্বশেষ খবর
-
বাঁকুড়ায় সিজেপি সমর্থকের বাড়িতে হামলায় মৃত্যু বাবার, ‘আইনি ব্যবস্থা নিয়েছি’, বললেন মুখ্যমন্ত্রী
-
সোনা দিয়ে রূপচর্চা! হুজুগে ‘২৪ ক্যারাট গোল্ড সিরাম’ কিনেছেন? ছোট্ট ভুলে হতে পারে বিরাট ক্ষতি
-
আর জি করে রোগীর মৃত্যু, চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ পরিবারে, অবস্থা সংকটজনক ছিল দাবি হাসপাতালের
-
‘মহিলা’দের ইভেন্টে পদকজয় দুই ‘পুরুষে’র, ঐতিহাসিক টেস্টজয়ের দিনই কলঙ্ক বাংলাদেশের
-
ভব্য’ স্কিমে ফিরছে হারানো গৌরব! আসানসোলের বন্ধ ঢাকেশ্বরী কটন মিল ঘিরে নতুন আশার আলো